পুলিশি হেফাজত থেকে ছাড়া পেয়েই প্রিয়ঙ্কা শর্মা বললেন, জেলে তাঁর উপর অত্যাচার চলেছে। 

মঙ্গলবার সকাল ৯.৪০ নাগাদ তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু তার পরেও কেন তাকে আটকে রাখা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অবশেষে থেকে লিখিত বয়ান নিয়ে প্রিয়ঙ্কাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বুধবার। জেল থেকে বেরিয়েই সাংবাদিক বৈঠক করেন নারী মোর্চার সদস্য প্রিয়ঙ্কা শর্মা। 

প্রিয়ঙ্কার দাবি, সুপ্রিম কোর্টে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ পাওয়ার পরেও তাঁকে আটকে রাখা হয়। আজও তাঁকে দিয়ে জোর করে লিখিত ক্ষমা চাওয়ানো হয়েছে। 

রাজ্যে স্বাধীনতা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে প্রশ্ন তোলেন প্রিয়ঙ্কা। তিনি বলেন, এত লোক এত কিছু করছে। শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর ছবি দিয়ে মিম তৈরি হয়েছে বলে আমাকে ৫ দিন জেলে আটকে রাখা হল। তৃণমূলের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললেই যদি মারধর করা হয়, তা হলে স্বাধীনতা কোথায়।

প্রিয়ঙ্কা সাফ জানান, তিনি ক্ষমা চাইবেন না। বিজেপি নেত্রীর কথায়, আমি এই মামলা চালিয়ে নিয়ে যাব। আমি ক্ষমা চাইব না। আমি এমন কিছু করিনি যার জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত। 

প্রিয়ঙ্কার অভিযোগ, জেলে তাঁকে দিয়ে জোর করে সই করানো হয়েছে। ছাড়া পাওয়ার পরেও তাঁকে তাঁর আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। 

এছাড়াও জেলে তাঁর উপরে অত্যাচার চলেছে বলে দাবি করেন প্রিয়ঙ্কা। তিনি বলেছেন খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে তাঁর উপর অত্যাচার চলেছে। তাঁর অভিযোগ, জেলার তাঁকে ধাক্কাও দিয়েছেন। জেলের কর্মীরা তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে ছাড় পাওয়ার পরেও। এমনকী পরিবারের কারও সঙ্গেই দেখা করতে দেওয়া হয়নি বলে প্রিয়ঙ্কার অভিযোগ।

সবোর্পরি, প্রিয়ঙ্কা বলেছেন ওই মিম শেয়ার করে কোনও অনুতাপ নেই তাঁর। তিনি বলছেন, এই মিমটি অনেকেই শেয়ার করেছেন। কিন্তু আমি বিজেপি করি বলেই আমাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।