মুম্বই-এর কায়দাতেই এবার লোকাল ট্রেন চলবে এ রাজ্যে। মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টা সময়ে পেলেই আপাতত দশ শতাংশ ট্রেন চালু করা দেওয়া যাবে। কালিপুজোর পর আরও ২৫ শতাংশ ট্রেন চলবে। রাজ্যের সঙ্গে বৈঠকে তেমনটাই জানানো হয়েছে রেলের তরফে। কিন্তু ট্রেনের সংখ্যা  যদি কম হয়, তাহলে যাত্রীদের বিক্ষোভ সামলানো যাবে তো? প্রশ্ন উঠেছে।

আরও পড়ুন: লরির ধাক্কায় ভেঙে পড়ল ছাউনি, মানিকতলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দু'জনের

করোনা আতঙ্কে মধ্যেই স্বাভাবিক ছন্দ ফিরছে জনজীবনে। আনলক পর্বে সড়কপথে সচল পরিবহণ। এমনকী, কলকাতায় চালু হয়ে গিয়েছে মেট্রোও। আগের মতো শহরতলি থেকে যখন কাজের প্রয়োজনে যাতায়াত করতে হচ্ছে, তখন লোকাল ট্রেন বন্ধ রেখে কি লাভ? ক্ষোভ বাড়ছে নিত্যযাত্রীদের। নিরুপায় হয়ে রেলকর্মীদের স্পেশাল ট্রেনে উঠে পড়ছেন অনেকেই। বাধা দেওয়ার বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রী বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। বস্তুত, অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালুর দাবি সোমবারও দিনভর বিক্ষোভ চলে হুগলির বৈদ্যবাটি, রিষড়া ও শেওড়াফুলি স্টেশনে।  

আরও পড়ুন: বাংলায় বিজেপি কর্মী খুন ও পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদ, থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচি বিজেপির

সোমবার নবান্নে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের পর তিনি জানান, আপাতত ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু করতে চাইছে সরকার। রেলের সঙ্গে হাওড়া ও শিয়ালদহ থেকে লোকাল ট্রেন চালু করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। লোকাল ট্রেন চালু হলে যাত্রীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং মেনে চলতে হবে অন্যন্য স্বাস্থ্যবিধিও। রেল কর্তৃপক্ষ কী বলছে? বৈঠকে রেলের তরফে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব রেলের একাধিক আধিকারিকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, ৫ নভেম্বর রাজ্যের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। আপাতত ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ট্রেন চলবে। পরবর্তী পর্যায়ে ধাপে ধাপে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। প্রয়োজনে বেশ কয়েকটি রুটে গ্যালোপ ট্রেন চালানোর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।