বৃহস্পতিবার থেকেই যাত্রা শুরু করেছে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো। আর তার উপরই নির্ভর করে আছে অনেক দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের রুজি-রোজগার। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো স্টেশনের পাশে দাড়িয়ে সারি সারি রিক্সা। তাদেরই মধ্য়ে কয়েকজন জানালেন তাদের ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোকে ঘিরে স্বপ্নের কথা। মন খুলে বললেন  ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো তাদের জীবনে নতুন করে বাঁচার পথ দেখিয়েছে। তাই বাড়তি সওয়ারি পেয়ে সেই অভিজ্ঞতার কথাই জানালেন, আমাদের সংবাদ মাধ্য়মের কাছে। 

আরও পড়ুন, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো চলছে চমক দিয়ে , আনন্দ-আবেগে একাকার কলকাতাবাসী

 বাড়তি রোজগারের স্বপ্ন তাদের দুই চোখে। জানালেন,  ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো চালু হবার খবর তারা যে দিন জানতে পেরেছিলেন সেদিন থেকেই আশার আলো দেখেছিলেন। বাড়তি আয় দিয়ে যদি সংসার টা দাড় করানো যায়। বিমান মন্ডল জানালেন, শুক্রবার থেকেই সল্টলেক সেক্টর ফাইভ ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় ভালই যাত্রীদের আনাগোনা হয়েছে। যার ফলে অন্য়ান্য় দিন গুলির থেকে আয়টা একটু হলেও বেড়েছে। সাধারণত অনেক খেটেও স্বল্প আয়ে দিন গুজরান কিন্তু মেট্রো চালু হওয়ার পর একটু আশার আলো দেখতে পেয়েছেন তিনি। ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো কথা অনেকদিন থেকেই শুনছিলেন, তাকিয়ে কবে উদ্বোধন হবে। সে গুড়ে তাই মোটেই বালি নেই। বরং নতুন করে বাঁচার আশা দেখছেন বিমান মন্ডল।

আরও পড়ুন, ভালবাসার দিনে ছুটছে প্রথম মেট্রো, তাতেই হাঁটু মুড়ে বসে বিয়ের প্রস্তাব বান্ধবীকে

অপরদিকে, বাপ্পা মন্ডল নামের আরও একজন রিক্সাওয়ালাও তিনিও বেশ খুশি, আবেগ তাড়িত হয়ে জানালেন মনের কথা। বললেন, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো চালু হওয়ায় একদিকে যেমন আনন্দ হচ্ছে। অপরদিকে বাড়তি আয়ের স্বপ্নটা এবার বাস্তবে হয়েছে। সওয়ারীকে শুক্রবার থেকেই সার্ভিস দিতে দিতে, শুনছেন ঝাকঝকে নতুন মেট্রোর গল্প। তাই  ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোতে সফর করা না হলেও, রিক্সার যাত্রীদের থেকেই গল্প শুনে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে হলেও বেশ লাগছে বাপ্পাভাই-র। যাত্রীদের থেকেই গল্প শুনেছেন রিক্সার থেকেও কম টাকায় নতুন মেট্রো সফর হয়। শুনে প্রাথমিক ভাবে ভয় পেলেও সওয়ারির চোখের দিকে তাকিয়ে হেসেই ফেলেছেন। তারা যাবে না কোথাও, ফ্য়াট কমানো হুজুগের বাঙালি হাটার বদলে বরং এগরোল নিয়েই রিক্সায় উঠে আয় বাড়িয়েছে রিক্সাওয়ালার।