করোনা আতঙ্কে বিশ্বভারতী আর কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি। কর্তৃপক্ষ সোজা জানিয়ে দিয়েছে, এবার আর বসন্তোৎসব হবে না। অন্য়দিকে বিশ্বভারতীতে বসন্তোৎসব নিয়ে যা ঘটেছে, তাতে করে মাথা হেঁট হয়ে যাওয়ার জোগাড় গোটা রাজ্য়ের। এমতাবস্থায়  সবেধন নীলমণি শান্তিপুরেও দোল নিয়ে দুশ্চিন্তা।

প্রসঙ্গত, শান্তিপুরে রয়েছে বেশ কিছু বিগ্রহবাড়ি। সেখানে প্রচুর মানুষের ভিড় হয় দোলের সময়ে। অনেক বিদেশিরাও এই সময়ে এখানে আসেন দোল খেলতে। ইতিমধ্য়েই দেশবিদেশ থেকে এখানে অনেকে এসে পৌঁছেছেন। এমতাবস্থায় শান্তিপুর পুরসভা বিগ্রহবাড়ির প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেন শনিবার। বৈঠকের পর পুরপ্রধান অজয় দে জানিয়ে দেন, "ওই দিন শান্তিপুরে অনেক মানুষ আসবেন। প্রসাদ বিতরণ হবে। তাই স্বভাবতই দুশ্চিন্তা শুরু হয়েছে। আজকের আলোচনায় আমরা জোর দিয়েছি, যাতে মুখোশ পরে প্রসাদ বিতরণ হয়। পরিচ্ছন্নতা যাতে বজায় রাখা হয়।"

এদিকে প্রশ্ন উঠেছে, করোনার ভয়ে যেখানে বিশ্বভারতী বাতিল করেছে বসন্তোৎসব, সেখানে শান্তিপুর, নবদ্বীপে দোল খেলা থেকে সংক্রমণ ছড়াবে না তো? ইতিমধ্য়েই সেখানে বিদেশিরা এসেছেন দেশবিদেশ থেকে। যদিও বিমানবন্দরে তাঁদের পরীক্ষা হয়েছে, কিন্তু সুপ্ত অবস্থায় তাঁদের মধ্য়েও তো রয়ে যেতে পারে করোনার উপসর্গ। শুধু তাই নয়, দোলের দিন শান্তিপুরে বড়সড় জমায়েত হলে তার থেকেও এই সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কাকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।