দলের কাজে ফেরার জল্পনা বাড়িয়ে ফের পিছিয়ে গেলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দূত মারফত  বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে এক সংক্ষিপ্ত চিঠি পাঠিয়ে তিনি বিধানসভার মৎস ও প্রাণীসম্পদ স্থায়ী সমিতির চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফার কথা জানিয়ে দেন।

স্পিকার জানিয়েছেন, শোভন চিঠিতে জানিয়েছেন, 'অনিবার্য কারণবশত' তাঁর এই ইস্তফা। অথচ দিন দুয়েক আগেই ছবিটা অন্যরকম ছিল। ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর মন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করার পর থেকে বিধানসভা মুখো হননি শোভন চট্টোপাধ্যায়। এই বিষয়ে বিরোধীরা স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর স্পিকার বিমান বন্দোপাধ্যায় নিজেই শোভনকে ফোন করেছিলেন। সেই সময়ও ওই কমিটির পরবর্তী বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বলেই জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ৭২ ঘন্টা যেতে না যেতেই মত বদলালেন তিনি।

মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর দীর্ঘদিন তাঁর সঙ্গে সেই অর্থে কোনও সম্পর্ক রাখেননি প্রথম সারির তৃণমূল নেতারা। কিন্তু লোকসভা নির্বাচন ২০১৯-এ ধাক্কা খাওয়ার পরই তৃণমূল নেতারা শোভনকে ফের দলে সক্রিয় করে তোলার চেষ্টা শুরু করেছিলেন। সুব্রত বক্সি, ফিরহাদ হাকিমরা ফোনে কথা বলেছেন। কখনও মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় মাঝরাতে তাঁর বাড়িতে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন। শেষ চেষ্টা করেছিলেন বিধানসভার স্পিকার। কিন্তু কোন চেষ্টাতেই বিশেষ লাভ হল না। বরং এই ঘটনার পর তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা আরও বাড়ল।