দলে না থাকলেও সাইন বোর্ড লেগে রয়েছে। শীঘ্রই সেই তকমাও ছাড়তে চলেছেন শোভন-বৈশাখী। সূত্রের খবর, দিল্লির গেরুয়া হাওয়া সহ্য হয়নি তাই ফের কালীঘাটে ফিরছেন 'দিদির কানন'। যদিও ঘোষণা না হওয়ার আগেই শোভন বৈশাখীকে দলে গুরুত্বহীন করলেন দলের রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। 

আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এবার রাখঢাক না করেই শোভন -বৈশাখী নিয়ে দলের অবস্থান বলেই ফেললেন দিলীপ  ঘোষ। দলের সদর দফতরে দিলীপবাবু বলেন, বিজেপিতে যাদের নিয়েছেন তারা দলে কর্মী হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন।  নেতা পদে কাউকে নেওয়া হয়নি। শোভন -বৈশাখী নিয়ে দিলীপবাবুর কটাক্ষ, বিজেপির সঙ্গে ওনাদের ঘনিষ্ঠতা কতই বা ছিল? জোর করে তো কাউকে পার্টি করাতে পারি না। কেউ বাচ্চা ছেলে নয় যে ললিপপ দিয়ে দলে নিয়ে এসেছি। ওঁরা কী করবেন সেটা ব্যক্তিগত ব্যাপার। 

তৃণমূলের সূত্রধররা বলছেন, দিদির কালীঘাটের বাড়িতে  আসার পর থেকেই পদ্ম  ছেড়ে ঘাসফুলে শোভনের দেওয়াল লিখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ভাইফোঁটার আড়ালে আসলে দলে তাঁর ফেরার পথ প্রশস্ত করেছেন শোভন। নিজের সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন বৈশাখীকেও। কদিন ধরেই তৃণমূলে জোর জল্পনা, পরিবর্তন ছেডে় এবার প্রত্যাবর্থনের পথে শোভন-বৈশাখী। 

শুক্রবারই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অফিসে নিজের কলেজের সমস্যা নিয়ে গিয়েছিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘ আলোচনার পর বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূলে ফেরার জল্পনা আরও উসকে দেন। মনে করা হচ্ছে, পুরসভা ভোটের আগেই আনুষ্ঠানিকভাবে দলে ফিরবেন শোভন। তাই নিজের বক্তব্য রাখার আগেই দলে তাঁদের গুরুত্বহীন করলেন দিলীপ।