স্ট্যান্ড রোড অগ্নিকাণ্ডে বলি নয়। প্রাথমিক অবস্থায় দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু প্রকাশ্যে আনেন দমকল কর্মীদের ভেতরে আটকে থাকার খবর। প্রথমে ছয় পরে, সেই সংখ্যা দাঁড়ায় নয়তে। যাদের মধ্যে ৪ দমকলকর্মী, ২ আরপিএফ, ১ এএসআইয়ের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে রেলের আধিকারিক ও এক কর্মীর। রেলের ডেপুটি চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজারের মৃত্যু পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে রেলের ডেপুটি সিসিএম পার্থপ্রতিম মণ্ডলের।

দুই লিফটে আটকে আগুনে ঝলসে মৃত্যু মোট নয় জনের। মর্মান্তিক ঘটনা স্ট্যান্ড রোডে। তবে মৃতদেহ দেখার পর পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত হতে পারছেন না, এই দেহ তাঁদের পরিবারের সদস্য কি না। এতটাই বিকৃত অবস্থায় রয়েছে দেহ, যার ফলে তা সনাক্তকরণ সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি দুই জনের ক্ষেত্রে। ফলে তাঁদের ক্ষেত্রে করা হবে ডিএনএ টেস্ট। রাত একটা নাগাদ ঘটনা স্থলে পৌঁছে যায় শববাহী গাড়ি। এখনও পর্যন্ত পাঁচটি দেহ তুলে দেওয়া হয়েছে তাঁদের পরিবারের হাতে। বাকি দুই দেহ তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। 

তবে আরও দুইয়ের পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় পরিবারের সদস্য দেহ দেখেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। একজনের পরিবার দাবী করেছেন, যে তাঁরা ডিএনএ সেস্ট করাতে চান। অপর ব্যক্তির দেহ এখনই সনাক্ত করণ করা সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি। তবে ঘটনাস্থলে মিলেছে এক পরিত্যক্ত বাইক। তা দেখেই অনুমান করা হচ্ছে মৃতের পরিচয়। পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই দেহ রাখা রয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের শিকার এই নয় ব্যক্তির পরিবার পিছু আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী।