বারবার শুনানির পরেও আদালত এড়ালেন সদ্য তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদকের পদ পাওয়া ছত্রধর মাহাতো। কোভিড পজিটিভ বলে দাবি করেছিল আইনজীবি। এদিকে বারবার শুনানির পরেও গরহাজির হওয়ায়, ছত্রধরের করোনা কি আদৌ হয়েছিল কিনা সংশয় প্রকাশ করেছে এনআইএ। আর তারপরেই জেলার সিএমওএইচ অর্থাৎ মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে ডেকে পাঠাল এনআইএ।

 

 

রাজধানী এক্সপ্রেসের চালক অপহরণ- নেতা খুনের ঘটনাতেও নাম জড়িয়েছে তাঁর


প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে বাঁশতলায় রাজধানী এক্সপ্রেস আটকানো এবং চালক অপহরণ মামলায় এদিন ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজিরা ছিল  ছত্রধর মাহাতোর। এই ঘটনার পুনর্তদন্ত করছে এনআইএ অর্থাই জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে ২ বার তদন্তের স্বার্থে জেরা করা হয়েছে ছত্রধরকে। তবে শুধু রাজধানী এক্সপ্রেস নয়, ওই বছরই ১৪ জুন লালগড়ে সিপিএম নেতা প্রবীর মাহাতো খুনের ঘটনাও নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে এইআইএ।

 

 

প্রয়োজনে ছত্রধরের গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করতে পারে এনআইএ 

অপরদিকে, এই তদন্তের যৌক্তিকতা নিয়ে পাল্টা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক ছত্রধর মাহাতো। কিন্তু ব্যাঙ্কশাল আদালতে একেরপর এক হাজিরা এড়াচ্ছেন তিনি। কোভিডের দোহাই দিয়ে কি তিনি যাননি। এমন সংশয় দানা বাধতেই চটে লাল এনআইএ আধিকারিকরা। এবার তাঁরা কড়া আইনি পদক্ষেপের কথা ভাবছেন। প্রয়োজনে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করতে পারে এনআইএ।