পূর্ব ঘোষণা মতোই শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়ে গেল জরাজীর্ণ টালা সেতু ভাঙার কাজ। শুক্রবার রাত বারোটা থেকেই সেতুতে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। টালা সেতু পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বি টি রোড থেকে উত্তর কলকাতার দিকে যাতায়াতে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে বিকল্প পথে যান 
চলাচলের ব্যবস্থা হলেও ঘুরপথে যেতে অনেকটাই অতিরিক্ত সময় লেগে যাচ্ছে। বিশেষত চাপ বেড়েছে বেলগাছিয়া সেতুর উপরে। যার ফলে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে যাতায়াতের পথেও সমস্যায় পড়ছেন রোগীরা। 

  • এক নজরে দেখে নিন টালা ব্রিজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কোন কোন বিকল্প পথে যানবাহন চলাচল করবে-
  • সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ থেকে  বি টি রোড গামী ছোট গাড়ি এবং বাস বাগবাজার, চিৎপুর লকগেট উড়ালপুল অথবা কাশীপুর ব্রিজ ধরবে। 
  • শ্যামবাজার বা এপিসি রোোড থেকে আসা গাড়িগুলি ভূপেন বোস অ্য়াভিনিউ অথবা গালিফ স্ট্রিট হয়ে চিৎপুর লকগেট ব্রিজ ধরবে। 
  • আরজি কর রোড ধরেও পাইকপাড়া, নর্দান অ্যাভিনিউ-এর মতো রাস্তা দিয়ে বি টি রোডে পড়া যাবে। 
  • চিৎপুর লকগেট ব্রিজ সারাদিন উত্তরমুখী থাকবে। অর্থাৎ বি টি রোড ধরার জন্য সারাদিন এই সেতু ব্যবহার করা যাবে। 

আবার বি টি রোড থেকে কলকাতার দিকে যে ছোট গাড়িগুলি আসছে সেগুলি চিড়িয়া মোড়, খগেন চট্টোপাধ্যায় রোড, কাশীপুর রোড, বাগবাজার হয়ে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ- তে চলে আসবে। 

  • বাস এবং ছোট গাড়ি চিড়িয়া মোড় থেকে বাঁদিকে ঘুরে দমদম রোড, নর্দান অ্যাভিনিউ, আর জি কর রোড হয়ে শ্য়ামবাজারে আসবে। 
  • এ ছাড়াও পাইকপাড়া, রাজা মণীন্দ্র রোড, আর জি কর রোড হয়েও শ্যামবাজারে পৌঁছনো যাবে। 
  • ছোট গাড়িগুলি বরানগর, কাশীপুর ব্রিজ হয়ে শ্যামবাজার বা সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ-এর দিকে আসতে পারবে। 

পুরনো টালা সেতু ভেঙে তার বদলে নতুন সেতু তৈরি হবে। বিরাট এই কর্মকাণ্ড কতদিনে শেষ হবে, সেটাই এখন দেখার। তার আগে পর্যন্ত এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষের ভোগান্তির আশঙ্কা প্রবল।