পঞ্চসায়র গণধর্ষণ কাণ্ডে অবশেষে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতের নাম উত্তম রাম। পেশায় ট্যাক্সিচালক উত্তমের গাড়িতে তুলেই ঘটনার দিন রাতে মানসিক রোগী ওই মহিলার উপর নির্যাতন চালানো হয় বলে পুলিশের দাবি। নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী অভিযুক্তের মুখের স্কেচ এঁকে এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখেই উত্তমের সন্ধান পায় পুলিশ। তার বাড়ি দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার নরেন্দ্রপুরে। ধৃত অপরাধ স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশের। এ দিনই তাকে আলিপুর আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ। অভিযুক্তের ট্যাক্সিটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

উত্তমকে গ্রেফতার করতে পারলেও এখনও এই ঘটনায় তার এক সঙ্গী অধরা। ধৃতকে জেরা করেই দ্বিতীয় অভিযুক্তের খোঁজ চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। 

গত সোমবার রাতে ই এম বাইপাস সংলগ্ন পঞ্চসায়র এলাকায় মানসিক রোগী এক মহিলাকে গাড়িতে তুলে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। নির্যাতনের পরে মহিলাকে সোনারপুর এলাকায় রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। পঞ্চসায়রের একটি হোমের বাসিন্দা ওই মহিলা ঘটনার দিন রাতে কোনওভাবে হোমের তালা ভেঙে বাইরে বেরিয়ে এসেছিলেন। সেই সুযোগেই গাড়িতে তুলে তাঁকে নির্যাতন করে উত্তম এবং তার সঙ্গী। জেরায় তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, হোমে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্যাতিতাকে গাড়িতে তুলেছিল উত্তম। এর পরেই তার উপরে নির্যাতন চালানো হয়। ধৃতকে গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে অপহরণ এবং গণধর্ষণের মতো ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ। 

উত্তমের সঙ্গীর খোঁজ এখনও না মিললেও ঘটনার সময় ফিরোজ নামে এক ব্যক্তি গাড়িতে ছিল বলে জানিয়েছিল নির্যাতিতা। উত্তমের সেই সঙ্গীর নামই ফিরোজ কি না, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।