দলের রদবদলের পর এবার মোদীর মন্ত্রিসভাতেও হতে চলেছে রদবাদল। দিল্লির রাজনৈতিক মহল বলছে, এবার মোদীর মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে চলেছেন বাংলার তিন সাংসদ। বিধানসভা ভোটের কথা মাথায় রেখেই এই তিন মুখকে নিয়ে আসতে চলেছেন মোদী। 

ভোট এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিজেপির বক্তৃতা বেলাগম হচ্ছে, পাল্টা অভিযোগ করছে তারাই.

বিহার ভোটের দিনক্ষণের সূচনা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্য়েই । সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এরপরই বাজতে চলেছে বাংলার ভোটের দামামা। রাজ্য়ে আদিবাসী,রাজবংশী ভোটে ইতিমধ্য়েই থাবা বসিয়েছে বিজেপি। নতুন করে ভোটের আগে তাই এই সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের মন্ত্রী করতে  চাইছেন প্রধানমন্ত্রী। গেরুয়া শিবিরের হাওয়া মোরগ বলছে, মোদীর মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার তালিকায় সবার ওপরে নাম রয়েছে,বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের। খুব একটা পিছিয়ে নেই  পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। বিজেপি সূত্রে খবর, এই তালিকায় তিন নম্বরে নাম রয়েছে কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের। 

দুর্গাপুজো কমিটিকে দেওয়া হবে সরকারি অনুমতি, ২ অক্টোবর থেকে অনলাইনে ফর্ম

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, মূলত আদিবাসী, তপশিলি ও রাজবংশী ভোটকে আরও কাছে টানতে চাইছে বিজেপি।  ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সাফল্যের পিছনে এই তিন সম্প্রদায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। আগে যেখানে মতুয়া ভোটে একচেটিয়া অধিকার ছিল তৃণমূলের। সেখানে দিদির প্রার্থীকে হারিয়ে জয় পেয়েছেন শান্তনু ঠাকুর।  সেক্ষেত্রে বনগাঁর সাংসদের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সুযোগ পাওয়ার একটা বড় সম্ভাবনা রয়েছে। 

পাশাপাশি রাজবংশীদের মন রাখতে মন্ত্রী হতে পারেন কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের। আদিবাসীদের মধ্য়ে থেকে মন্ত্রী  হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় মাহাতো। পিছিয়ে নেই আদিবাসী সমাজের প্রতিনিধি আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বার্লা এবং ঝাড়গ্রামের সাংসদ কুমার হেমব্রমের নাম। মোদীর মন্ত্রিসভার পরিসংখ্য়ান বলছে,রাজ্য় থেকে এখন দুজন মোদীর মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী। বাবুল সুপ্রিয় ও দেবশ্রী চৌধুরী। 

মেট্রো যাত্রীদের জন্য় সুখবর,রবিবারেও চলবে কলকাতা মেট্রো রেল