ফের গর্ভ ভাড়া দিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠল শহরে। শুধু তাই নয়, ছ মাসের মাথায় গর্ভস্থ ভ্রূণকে হত্যা করারও অভিযোগ উঠেছে এক তরুণীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ওই তরুণী ও তাঁর প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।তরুণী ও তাঁর প্রেমিকের বিরুদ্ধে  ভ্রূণহত্যা ও আর্থিক প্রতারণার জোড়া অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। 

আরও পড়ুন, উপাচার্যের ইস্তফার জের, কার্যত অচল হওয়ার আশঙ্কায় রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়

সূত্রের খবর, সন্তানের জন্য এক ফার্টিলিটি ক্লিনিকে গিয়েছিলেন এক দম্পতি। সেখানেই সারোগেসির মাধ্যমে সন্তান ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয় তাঁদের। রাজিও হয়ে  তাঁরা মথুরাপুরের এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁদের। গর্ভ ভাড়া বাবদ তাঁকে ১২ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। গর্ভধারণও করেন ওই তরুণী। প্রথম ছয় মাস নিয়মিত ওই দম্পতির সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তরুণীর। কিন্তু ছয় মাস পরে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এরপরেই পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই দম্পতি। 

আরও পড়ুন, ই এম বাইপাস ছেড়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ল লরি, আশঙ্কাজনক ২


পুলিশ সূত্রে খবর, কয়েক দিন তল্লাশি চালানো পরে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ধরা পড়েন ওই তরুণী। তখন তিনি জানান অসাবধানতায় গর্ভপাত হয়ে গিয়েছে তাঁর। কিন্তু  পুলিশ আধিকারিকদের জেরার মুখে পড়ে তরুণীর এক প্রেমিকের খবর পাওয়া যায়। এরপর ওই যুবকেও জেরা করেন পুলিশ। যুবক জানায়, দাম্পত্য জীবনে অশান্তি চলায়  সন্তান চান না তিনি। তারপরেই যুবক ডায়মন্ডহারবারের একটি নার্সিংহোমে যোগাযোগ করে প্রেমিকার গর্ভপাত করান। শুক্রবার দুই ডাক্তারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেআইনিভাবে গর্ভপাত করানোর অভিযোগে তাঁদের নার্সিংহোম দুটিকেও সিল করে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষের দিকেও একই ঘটনা ঘটে। নিউ আলিপুরের এক ব্যবসায়ী পরিবারের বড় ছেলে ও তাঁর স্ত্রী নিঃসন্তান। সন্তান লাভের আশায় ভবানীপুরের এক চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তাঁরা। সেই চিকিৎসকের পরামর্শ মতোই গত জুন মাসে সারোগেটেড মাদারকে ৬ লক্ষ টাকা দেন। অভিযোগ, টাকা দেওয়ার পর নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও ওই দম্পতির কোনও সন্তান পাননি। অভিযুক্ত মহিলাকে গ্রেফতার করেছিল নিউ আলিপুর থানার পুলিশ। 


আরও পড়ুন, করোনা ভাইরাস আতঙ্ক, মাস্কের কালোবাজারি রুখতে কড়া পদক্ষেপ পুলিশের