ইতিমধ্যেই করোনা আতঙ্কে জেরবার বিশ্ববাসী । মাস্ক উঠেছে সকলের মুখে। রাস্তা তো দূর ঘরের ব্যালকনিতে দাঁড়ালেও যেন মাস্কেই ভরসা। কিন্তু  এই মাস্ক বিক্রি যেন কয়েকদিনের মধ্যে দ্বিগুণ বেড়েছে।  বিক্তি যেমন বেড়েছ তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে তার দামও।  আগে যেই মাস্কের দাম ছিল ৩০ টাকা বর্তমানে তার দাম বেড়ে হয়েছে ৬০-৭০ টাকা। আর দামী যেই মাস্কের দাম ছিল ১১০ টাকা সেই মাস্কের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১০-২৮০ টাকা। এবার এই মাস্কের কালোবাজারি রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। গতকাল নবান্নে করোনা নিয়ে বৈঠকের পর মাস্কের বেআইনি মজুত নিয়ে তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

 

 

আরও পড়ুন-দোলের আগে চাই ত্বকের বাড়তি যত্ন, রইল সহজ টিপস...

বাজারে দেদার বিক্রি বেড়েছে চিনা মাস্কের। এর পাশাপাশিই এন-৯৫ মাস্কেরও চাহিদা তুঙ্গে। তবে যেটুকু মিলছে তাও আবার চড়া দামে। সরকারি হাসপাতালেও মাস্কের বিপুল চাহিদা অনুযায়ী জোগান নেই। ইতিমধ্যেই সব রকমের নজরদারিও শুরু হয়ে গেছে সরকারের পক্ষ থেকে। খুচরো ও পাইকারি ওষুধ বিক্রেতাদের  জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কোনওভাবেই যেন তারা ছাপা দামের থেকে বেশি দামে মাস্ক বিক্রি না করে।  অন্যথায় ধরা পড়লে তাদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা করা হবে। ইতিমধ্যেই বড় বড় হাসপাতাল চত্বর থেকে চড়া দামে মিলেছে এই মাস্ক। আর এই কালোবাজারির জন্য সাধারণ মানুষ মাস্ক কিনতে গিয়ে অসুবিধায় পড়ে যাচ্ছ।  

আরও পড়ুন-কীভাবে দোলযাত্রায় মাতবেন ভাবছেন, রইল সেরা দশ পার্টির টিপস...

এন-৯৫ মাস্ক আগে যা গড়ে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে সেই মাস্কের দাম বেড়ে হয়েছে ৪০০ টাকা। ছোট থেকে বড় সকলের মুখে মাস্ক। মারণ রোগের হাত থেকে বাঁচতে যতটা সম্ভব মানুষ নিজেকে সরিয়ে রাখছে। আর তার জন্য যা যা করণীয় তার সবটাই করছে প্রত্যেকে।বড় দোকানগুলিতে যেখানে গড়ে ২০-৩০ টা করে মাস্ক বিক্রি হতো সেই সংখ্যাটা এক লাফে ৫০০ ছাড়িয়েছে। এমনকী গত দুদিনে তা আরও বেশি ছাড়িয়ে গেছে। যার ফলে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে মাস্কে। দুম করে মাস্কের চাহিদা বাড়ায় মূল্যবৃদ্ধিও বেড়েছে। প্রতিটি ছোট কিংবা বড় দোকানেই এই মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে।হু হু করে বাড়ছে মৃত্যু সংখ্যা। সারা বিশ্বে জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস।  করোনা ভাইরাস আটকাতে মাস্ক ব্যবহার মাস্ট। তবে যে কোনও মাস্ক নয়। সঠিক মাস্ক  ব্যবহারের বিশেষ কিছু পদ্ধতি রয়েছে যেগুলি মেনে চলা অবশ্যই দরকার।তা না মানলেই শরীরে যে কোনও মুহূর্তে প্রবেশ করতে পারে এই করোনা ভাইরাস।