সারা রাজ্য জুড়ে উত্তরের হাওয়ার দাপট বেড়েছে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যাবে  গোটা রাজ্য জুড়ে শীতের আমেজ বজায় থাকবে   নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা রবিবার জম্মু-কাশ্মীরে 


 সারা রাজ্য জুড়ে উত্তরের হাওয়ার দাপট বেড়েছে। তাই তাপমাত্রা কলকাতার ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি কমে যাবে। কলকাতার তাপমাত্রা দু থেকে তিন দিনের মধ্যে ১৩ ডিগ্রীতে নামবে। আর পশ্চিমের জেলাগুলোতে বাঁকুড়া,পুরুলিয়া, বর্ধমানের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যাবে। গোটা রাজ্য জুড়ে শীতের আমেজ বজায় থাকবে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি, তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি নেমে যেতে পারে

রাত থেকেই পারদ নামা শুরু করবে। কলকাতার ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি কমে যাবে। রবি ও সোমবারে কলকাতার পারদ ১২ ডিগ্রির আশেপাশে থাকার সম্ভবনা। জেলায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা। সোমবার পর্যন্ত পারদ নামলেও মঙ্গলবার থেকে ঊর্ধ্বমুখী হবে কলকাতার পারদ। শনিবার থেকে মঙ্গলবার জাঁকিয়ে শীতের পর্ব রাজ্যে। অপরদিকে, নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার ঢুকবে রবিবার জম্মু-কাশ্মীরে। তার আগে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি উত্তর পশ্চিম ভারতে। এই শীতল হাওয়ায় মধ্যভারত পার হয়ে পূর্ব ভারতে জাঁকিয়ে ঠান্ডার পরিস্থিতি তৈরি করবে। আগামী দু-তিন দিনের মধ্য ভারতের রাজ্যগুলি যেমন মধ্যপ্রদেশ, ছত্রিশগড়ে তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি নেমে যেতে পারে। সোমবার পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতেই থাকবে পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে।

Click and drag to move


শনিবার পারদ কোথায় দাঁড়িয়ে

শনিবার জেলায় ইতিমধ্যেই জাঁকিয়ে ঠান্ডা, তাপমাত্রা নামল কলকাতাতেও। আবহাওয়া দফতেরর খবর অনুযায়ী, শনিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি নীচে। নুন্যতম তাপমাত্রা ১৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি নীচে। শহরের তবে কলকাতার নুন্যতম তাপমাত্রা ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শহর ও শহরতলিতে, আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ- সর্বাধিক ৯২ শতাংশ এবং ন্যুনতম ৪৭ শতাংশ। শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি নীচে। নুন্যতম তাপমাত্রা ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি উপরে। শহরের তবে কলকাতার নুন্যতম তাপমাত্রা ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শহর ও শহরতলিতে, আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ- সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ এবং ন্যুনতম ৪৭ শতাংশ।