Suvendu On Kolkata Municipal: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে একই মঞ্চে প্রাক্তন শাসক শিবিরের প্রাক্তন মেয়র-নেতা, মন্ত্রীরা। কী বলছে রাজনৈতিক মহল? শুধুই কী সৌহার্দ্যপূর্ণ রাজনীতি নাকি অন্য কোনও ছক? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।

Suvendu On Kolkata Municipal: বঙ্গে ক্ষমতার পালা বদল হতেই বাংলার রাজনীতিতে টানটান মোড়। বেজে গিয়েছে কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের ঘন্টা। তার মধ্যেই সোমবার কলকাতা পুরসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে অন্য চিত্র দেখল বাংলা। এদিন দুপুরে কলকাতা পুরসভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করতেই তার পাশে বসতে দেখা গেল প্রাক্তন শাসক দল তথা তৃণমূলের সব দাপুটে নেতা-নেত্রী, প্রাক্তন মন্ত্রী-মেয়রদের। কে ছিলেন না? এদিন শুভেন্দুর পাশে বসতে দেখা গিয়েছে, প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারপার্সন মালা রায়, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী তথা কাউন্সিলর কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়, জুঁই বিশ্বাস, দেবাশিস কুমার, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়দের।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কী ঘটল কলকাতা পুরসভার অন্দরে?

এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কলকাতা পুরসভায় প্রবেশ করতেই তাকে এগিয়ে গিয়ে শুভেচ্ছা জানান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়ে উপস্থিত ছিলেন জুঁই বিশ্বাস। তিনিও মুখ্যমন্ত্রীকে এগিয়ে গিয়ে প্রণাম করেন। এদিন শুভেন্দুর পাশে দেখা গিয়েছে ফিরহাদ হাকিম। দেবাশীষ কুমরারকে। যদিও দেবাশীষ কুমার দীর্ঘসময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি পরে ফোনে কথা বলার জন্য জানান ইশারায়। এরপরই অনুষ্ঠানস্থলের দিকে এগিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

সোমবার মঞ্চের কাছেই উপস্থিত ছিলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁকে দেখে শুভেন্দু সরাসরি মঞ্চে আসার আমন্ত্রণ জানান। একই ভাবে প্রাক্তন চেয়ারপার্সন মালা রায়কেও মঞ্চে বসার অনুরোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি ফিরহাদ হাকিম, মালা রায়, সন্দীপন সাহা-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতাকে বসতে দেখা যায়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই দৃশ্য সাম্প্রতিক সময়ের রাজ্য রাজনীতিতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করছে। কারণ, অতীতে তৃণমূল সরকারের আমলে এভাবে বিরোধীরা সরকারি কোনও অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বসা তো দূর আমন্ত্রণই পাননি বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। তবে এখন দেখার বিরোধী সৌহার্দ্যপূর্ণ রাজনীতি নিয়ে বাংলার উন্নয়ন কতটা করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। উত্তরটা অবশ্য সময় বলবে।

Scroll to load tweet…

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।