Asianet News BanglaAsianet News Bangla

অভিভাবক হিসাবে ক্যাম্পাসে গিয়েছি, যাদবপুরকাণ্ডে পাল্টা রাজ্যপালের

  • অভিভাবক হিসাবে যাদবপুরের ক্যাম্পাসে গিয়েছিলেন।
  • পড়ুয়াদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ করতেই তাঁর ক্যাম্পাসে যাওয়া।
  • রবিবার এক অনুষ্ঠানে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।
  • স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যপালের এই মন্তব্যে অস্বস্তি বাড়ল শাসক দলের।
     
Went to university as a guardian governor backfires tmc
Author
Kolkata, First Published Sep 22, 2019, 6:04 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

অভিভাবক হিসাবে যাদবপুরের ক্যাম্পাসে গিয়েছিলেন। পড়ুয়াদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ করতেই তাঁর ক্যাম্পাসে যাওয়া। রবিবার এক অনুষ্ঠানে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যপালের এই মন্তব্যে অস্বস্তি বাড়ল শাসক দলের।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে উদ্ধার করতে গিয়ে ছাত্র বিক্ষোভর মুখে পড়তে হয় খোদ রাজ্যপালকে। এমনকী ছাত্ররা গাড়ির সামনে শুয়ে পড়ায় গাড়ির মধ্যেই কাটাতে হয় টানা দেড় ঘণ্টা। তবে শেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে উদ্ধার করেই রাজভবনে ফেরেন রাজ্যপাল। নবান্ন সূত্রে খবর, রাজ্যপালের এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ বিষয়ে প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়েছেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যাদবপুরে যাওয়ার পথেই মুখ্য়মন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা হয় রাজ্যপালের। তখনই রাজ্যপালকে যাদবপুরে না যেতে অনুরোধ করেন মুখ্য়মন্ত্রী। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় রাজ্যের তরফে। তা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হাজির হন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এখানেই থেমে না থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ ডাকার নির্দেশ দেন তিনি। উপাচার্যকে পুলিশ ডাকুন নতুবা পদত্যাগ করুন এমনই কড়া কথা বলেন তিনি। 

এখানেই থেমে থাকেনি রাজ্যপাল-শাসক দল চাপান উতোর। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে মন্ত্রী হেনস্থার ঘটনাকে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উদাহরণ হিসাবে দেখায় রাজভবন। লিখিত বিবৃতি  প্রকাশ করে এই মন্তব্য করেন রাজ্যপালের প্রেস সচিব মানব বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার এক অনুষ্ঠানে পাল্টা  শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য়ের জবাব দেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন,আমি কি ছাত্রদের অভিভাবক নই। আমার কি অধিকার নেই ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলার। আমি যদি ওদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে অক্ষম হই, তাহলে কে ওদের সঙ্গে যোগাযোগ সৃষ্টি করবে। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি বুঝতেই ওখানে গিয়েছিলাম। আমি খুশি যে ছাত্র, অধ্যাপকরা আমাকে সহযোগিতা করেন। এবং সমস্যার সমাধান মেলে। আমার উপস্থিতি ওখানে বড় বিষয় ছিল না। আমি কী চাইছি সেটাই ওখানে কাজে দেয়। এই বলেই অবশ্য থেমে থাকেননি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। প্রকাশ্য়ে নাম না করেই রাজ্য সরকারকেও একহাত নিয়েছেন তিনি। রাজ্য়পাল বলেন, আমার কাছে এটা খুবই গর্বের বিষয়, যে আমি বাংলার সেবা করার সুযোগ পেয়েছি। এটা আমার সাংবিধানিক দায়িত্ব। কৌন বনেগা করোরপতির মতো আমার কোনও লাইফলাইন নেই। 

এবিভিপির নবীন বরণ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। প্রথম থেকেই বাবুলকে বিশ্ববিদ্য়ালয়ে ঢুকতে বাধা দেয় বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের পড়ুয়ারা। অভিযোগ, গো-ব্যাক স্লোগানের মাঝে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে ধাক্কা মারে ছাত্ররা। এমনকী তাঁর চুল ধরেও টানা হয়। এরপরই ক্যাম্পাস থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা রাজ্যপাল ভবনে ফোন করেন বাবুল। পরে খোঁজ নিয়ে বিকেল ৪টে ১৫ তে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাসকে ফোন করেন রাজ্যপাল। দ্রুত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে হেনস্থার রিপোর্ট চেয়ে পাঠান তিনি। ক্য়াম্পাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হেনস্থার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।   


 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios