গতকাল পর্যন্ত অ্যাকটিভ ছিল ৫০৪ জন। আজ রাজ্যে করোনা অ্যাকটিভ বেড়ে ৫২২। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্য়ে  নতুন করে  কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত  হয়েছেন ২৮ জন। খুশির খবর সুস্থ হয়ে গত একদিনে বাড়ি ফিরেছেন ১০ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্য়ে মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১৯ জন। মঙ্গলবার নবান্নে এমনটাই জানিয়েছেন,মুখ্য়সচিব রাজীব সিনহা। 

কোন ধরনের 'কোভিড রোগী' থাকতে পারবে বাড়িতে, নির্দেশিকা জারি করে জানাল স্বাস্থ্য় ভবন

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্য়ে  মারা গেছেন ২ জন। অর্থাৎ সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় করোনায় মারা গেছেন ২২ আক্রান্ত। সর্বপরি মোট নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৩ হাজার ২২৩টি। কেবল গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা হয়েছে ১১৮০টি। পরিসংখ্য়ান  বলছে,সরকারি কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৫৩৮৮ জন, গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়া পেয়েছেন ৪৫১ জন। হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ১৬ হাজার ৫২ জন, গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়া পেয়েছেন ২৫৭৭ জন। 

বাড়ি রাখা যাবে না করোনা রোগীকে, মমতার 'উল্টো পথে' স্বাস্থ্য়ভবন.

মুখ্য়সচিব জানিয়েছেন, রাজ্য়ে করোনা মোকাবিলায় সব ধরনের সহায়তা করছে রাজ্য় সরকার। ইতিমধ্য়েই পিপিই দেওয়া হয়েছে প্রায় ৫ লক্ষ। এন ৯৫ মাস্ক দেওয়া হয়েছে প্রায় ৩ লক্ষ। 

অন্যদিকে, রাজ্য়ে  কোভিড১৯ চিকিৎসায় নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য় ভবন। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কারও শরীরে কোভিড১৯ এর উপসর্গ দেখা দিলে বা লঘু কোভিড কেসে বাড়িতে থাকতে পারবে রোগী। তবে বাড়িতে হোম কোয়ারান্টাইনের সুব্যবস্থা থাকলেই এই সুবিধা পাবেন রোগী। তার জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করতে হবে তাঁকে। 

কারা করা পাবে এই সুবিধা? স্বাস্থ্য় ভবন জানিয়েছে,যে সব রোগীর এখনও কোভিড পরীক্ষার ফল আসেনি তাদেরকে দেওয়া যেতে পারে এই সুযোগ। এমনকী যাদের শরীরে কোভিডের লঘু তথা প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দিয়েছে তাদেরকেও হোম আইসোলেশনে রাখা যেতে পারে। 

করোনার ভ্যাকসিনের সঙ্গে এবার বাংলার যোগ, অক্সফোর্ডের গবেষক দলের সদস্য কলকাতার মেয়ে.

গতকাল রাতে মুখ্য়মন্ত্রীর করোনা নিয়ে ঘোষণার পরই নির্দেশিকা জারি  করেছিল স্বাস্থ্য় ভবন। স্বাস্থ্য় দফতরের তরফে বলা হয়, কোভিড ১৯-এ সংক্রমিত ব্যক্তিদের আবশ্য়িকভাবে কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে হবে, বাড়িতে  রাখা যাবে না। তবে কোভিড সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা 'প্রাইমারি' ও 'সেকেন্ডারি' ব্যক্তিরা চাইলে বাড়িতেই 'আইসোলেশনে' থাকতে পারবেন বল জানিয়েছিল রাজ্য় সরকার। 

কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে থাকবে বেশ কিছু বিধিনিষেধ। কী বলা হয়েছে ওই বিধি নিষেধে? স্বাস্থ্য় ভবন জানিয়েছে,কোভিডে আক্রান্ত ব্যক্তির 'প্রাইমারি' ও 'সেকেন্ডারি কন্টাক্সস'রাই কেবল 'হোম কোয়ারান্টাইন'-এর সুযোগ পাবেন। সেক্ষেত্রে বাড়িতে উপযুক্ত  বড় জায়গা থাকতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তির। প্রতি পদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে তাঁকে। মাস্ক ব্যবহার ছাড়াও স্বাস্থ্য় দফতরের পরামর্শ মেনে চলতে হবে তাঁকে। এমনকী ওই নির্দিষ্ট ব্যক্তি স্বাস্থ্য় দফতরের নিয়ম মেনে 'হোম কোয়ারান্টাইন' পালন করছেন কিনা তা দেখতেও স্থানীয় স্বাস্থ্য় আধিকারিকদের পাঠানো হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্য়ক্তিকে পরামর্শ দেবেন ওই স্বাস্থ্য়কর্মীরা।