লকডাউনের সামাজিক দূরত্বের রীতি মেনেই শুরু হচ্ছে রাজ্য় সরকারি অফিস খোলার কাজ। আগামী ২০ এপ্রিল থেকেই খুলে যাচ্ছে রাজ্য়ের বিভিন্ন অফিস। ইতিমধ্য়েই জারি হয়েছে এই নির্দেশিকা। তবে জানা গিয়েছে, প্রথ্ম দিন কীভাবে কাজ হবে অফিসাররা বসে তার আগে রোস্টার তৈরি করবেন। পরে একে একে রোস্টার অনুযায়ী শুরু হবে অফিস।

বাস, ট্রেন না চলায় লকডাউনে সরকারি অফিসে আসতে যে সমস্যা হবে, বিষয়টি বিলক্ষণ জানে সরকার। তাই সরকারি অফিস কর্মীদের জন্য় বিশেষ পরিবহণের কথা ভাবছে সরকার।  যেখানে সরকারি গাড়ির মাধ্য়েম কর্মীদের থাকবে পিক আপ ও ড্পের ব্যবস্থা। জানা গিয়েছে, জেলা, মহকুমা ও ব্লকস্তরের অফিসগুলোর ক্ষেত্রে যাদের বাড়ি অফিসের কাছে তাদেরকেই কাজের জায়গায় আসতে বলা হবে। বাকিদের কথা এখনই ভাবছে না সরকার।  

আপাতত ডেপুটি সেক্রেটারি বা সম মর্যাদার আধিকারিকদের অফিসে আসতে বলা হয়েছে। গ্রুপ সি ও তার নীচের স্তরের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ কর্মীদেরই অফিসে আসতে বলা হবে। সরকারি অফিসে আপাতত কর্মীদের একদিন অন্তর আনার বিষয়টি রোস্টারে রাখা হবে। প্রশ্ন জাগে, কোন পদমর্যাদার ব্যক্তিদের আনা হবে অফিসে। প্রথমে সচিবালয়ে ডেপুটি সেক্রেটারি, জয়েন্ট সেক্রেটারি ও সেক্রেটারি স্তরের আধিকারিকদের আসতে বলা হচ্ছে। এরপর একে একে ডিরেক্টরেট পর্যায়ে জয়েন্ট ডিরেক্টর, অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর ও ডিরেক্টরদের অফিসে আসতে হবে। একই নিয়ম মনে রোস্টার হবে ইঞ্জিনিয়ারিং দফতরগুলিতে। সেখানে সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার থেকে ওপরের গ্রেডের ইঞ্জিনিয়ারদের কাজে আসতে বলা হতে পারে।
 
তবে এতকিছুর মধ্য়েও সামাজিক দূরত্বের কথা অগ্রাধিকার দিয়েছে রাজ্য় সরকার। সরকারি অফিসের মাধ্য়মে যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে তাই নেওয়া হবে বিশেষ ব্যবস্থা। যে গাড়িতে কর্মীদের আনা হবে সেক্ষেত্রে কর্মীরা যাতে সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে আসতে পারেন তাই প্রয়োজনে বড় গাড়ি ব্য়বহার করা যেতে পারে। আধিকারিকদের ক্ষেত্রে নিজেদের গাড়ি ব্য়বহার করতে বলা হতে পারে।