লকডাউনের জেরে  রোজগার হারানোয়  ইতিমধ্য়ে অনেক মানুষই খাওয়া-দাওয়া নিয়ে অসুবিধায় পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে অবলা-অভুক্ত ঘোড়াদেরও খুব অসহায় অবস্থা। এদিকে যারা ওদের কলকাতার ঐতিহ্য বলে মানেন তাদেরও তেমন দেখা নেই। এমন সময় অভুক্ত ঘোড়াদের খাবার খাওয়ালেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এখানেই শেষ নয় তাদের রেশন জোগাবে এবার থেকে রাজ্য বন দফতর।

আরও পড়ুন, করোনার কোপ এবার সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোরে, বেলেঘাটা আইডিতে ভর্তি শীর্ষ স্বাস্থ্যকর্তা

জানা গিয়েছে, লকডাউনে ইতিমধ্য়েই অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছে চারটি ঘোড়া বলে অভিযোগ।বেশ কয়েকজনের চিকিৎসা চলছে। অবশেষে এদের সাহায্য করল রাজ্য বন দফতর। খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য়, ভিক্টোরিয়া বা বিড়লা তারামন্ডলের সামনে প্রতিদিন অপেক্ষা করে প্রায় ৬০টি ঘোড়ার গাড়ি। এই সব ঘোড়ার অধিকাংশই থাকে হেস্টিংসে। দ্বিতীয় হুগলি সেতুর র‍্যাম্পের নিচে। শুধু ঘোড়ার গাড়ি নয়, একই সঙ্গে বিয়েবাড়ি বা সিনেমার শুটিং-এ ঘোড়া নেওয়া হয় এখান থেকেই। সেটাও বন্ধ। ফলে ১৩০ টি ঘোড়া নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন তাদের মালিকরা। এদিকে গত কয়েকদিন ধরে খাবার না পেয়ে অসুস্থ হতে শুরু করেছে এই সব ঘোড়াগুলি। অভিযোগ, ইতিমধ্য়েই মারা গিয়েছে ৪টি ঘোড়া। লকডাউন চলার ফলে  ব্যবসার বন্ধ। রোজগার না থাকার জন্য় খাবার জোগাড়ের সুযোগ হচ্ছে না। আর তাতেই চিন্তার মুখে ব্যবসায়ীরা। সেই চিন্তা দুর করতেই শনিবার বিকেলে সেখানে পৌঁছে যান বনমন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়। তার সঙ্গে ছিলেন দফতরের আধিকারিকরা।

আরও পড়ুন,'রেশন-ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দখল একটি অপরাধ', টুইটারে ক্ষোভ প্রকাশ রাজ্যপালের


অপরদিকে শনিবারা বনমন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়ের উদ্যোগেই পশু খাবার দেওয়া হয়। এদিন বনমন্ত্রী বলেন,'লকডাউনের সময় পশুদের দিকেও নজর দিতে হবে। কলকাতায় অন্যতম পরিচয় এই জায়গা। কত মানুষ এসে এই ঘোড়ার গাড়ি চাপেন। সেই ঘোড়াগুলি যদি এখন খেতে না পায় তাহলে খুব সমস্যা। ওদের যাতে খাবারের সমস্যা না হয় তাই আমরা এখানে খাবার পাঠাব।' তিনি আরও বলেন, কোনও সমস্যা হলেই দ্রুতই যেন তাঁকে জানানো হয়।

 

 

 করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্য়ু ক্যানসার রোগীর,আতঙ্ক ছড়াল রাজারহাটের হাসপাতালে

করোনা আক্রান্ত গার্ডেনরিচ থানার শীর্ষ আধিকারিক, স্বাস্থ্য ভবনের তরফে চূড়ান্ত সতর্কতা

কেন্দ্র বলছে ২৮৭, বাংলার হিসেবে রাজ্য়ে করোনা আক্রান্ত ১৬২