রাজ্য সরকারের থেকে ৪৬ কোটি টাকা পাবে বিএসএনএল। ধুঁকতে থাকা কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থাকে চাঙ্গা করতে দ্রুত এই পাওনা মেটানোর  দাবি জানাল সংস্থা। এ বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবের হস্তক্ষেপ চাইলেন সংস্থার বেঙ্গল সার্কেলের প্রধান। 

পাওনা টাকা তুলতে না পারায় দেনার দায় বাড়ছে । যার জেরে ভিআরএস নিতে কর্মীদের কাছে আবেদন জানিয়েছে সংস্থা। বিএসএনএল-এর তরফে জানানো হয়েছে, মাত্র কিছুদিনের মধ্যেই প্রচুর স্বেচ্ছায় অবসরের আবেদন জমা পড়েছে। তাই নতুন করে এবার পাওনা টাকা তুলতে উঠেপড়ে লেগেছে কেন্দ্র। এ বিষয়ে সংস্থার বেঙ্গল সার্কেলের সিজিএম রমাকান্ত শর্মা জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের বহু বিভাগ ও দফতরের থেকে টেলিফোন বিল বাবদ বহু কোটি টাকা বকেয়া পড়ে রয়েছে। দ্রুত সেই পাওনা টাকা মেটাতে রাজ্য়ের মুখ্য়সচিবেরে কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। 

তবে শুধু বিএসএনএল রাজ্য়ে সরকারের থেকে টাকা পায় এরকমটা নয়। বিদ্যুতের বিল বাবদ টেলিকম সংস্থার থেকে ১৭ কোটি  টাকা পায়  ওয়েস্টবেঙ্গল স্টেট ইলেকট্রিসিটি ডিসট্রিবিউশন কোম্পানি। টেলিকম সংস্থার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই সময় বকেয়া বিদ্যুতের বিল মেটাতে পারবে না বিএসএনএল। পরিবর্তে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত বিশেষ চুক্তির পথে হাঁটতে চাইছে সংস্থা। যেখানে ভবিষ্যতে টাকা মেটানোর কথা বলেছে এই টেলিকম সংস্থা। তবে এখন বকেয়া না মেটালেও রাজ্য়  সরকার যেন বিদ্য়ুতের লাইন না কাটে সেদিকে নজর দিতে বলা হয়েছে। 

এ বিষয়ে বিএসএনএল-এর  কলকাতা সার্কেলের সিজিএম বিশ্বজিৎ পাল জানান, সিইএসসি ও ডব্লুবিএসইডিসিএল বিদ্যুতের বিল মিলিয়ে কলকাতা  সার্কেলে ৮-১০ কোটি টাকা বকেয়া পড়েছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্য়েই বিএসএনএল-এর বকেয়া মেটানোর জন্য প্রতিটি রাজ্যকে চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবি শংকর প্রসাদ। যত তাড়াতাড়ি বকেয়া দেওয়া যায় তাঁর জন্য রাজ্যের মুখ্য়মন্ত্রীদের কাছেও আবেদন জানিয়েছেন তিনি।