জিএসটি ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত বিকল্প প্রস্তাব খারিজ রাজ্যের জিএসটি নিয়ে ফের তুঙ্গে উঠল কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ অভিযোগ তুললেন পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র   

করোনা আবহে নতুন করে সংঘাতে জড়াল কেন্দ্র-রাজ্য। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের জিএসটির বিকল্প ক্ষতিপূরণ প্রস্তাবে নিয়ে জোরাল হল সংঘাতের পরিস্থিতি। জিএসটি ক্ষতিপূরণ নিয়ে অর্থমন্ত্রকের প্রস্তাব কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট জানালেন পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে পড়ার হুঁশিয়ারি দিলেন অমিত মিত্র।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কয়েকদিন আগে রাজকোষে টাকা না থাকায় রাজ্যগুলিকে জিএসটি ক্ষতিপূরণ দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। শুধু তাই নয়, আগামী দিনেও জিএসটি ক্ষতিপূরণের টাকা দাবি করার রাস্তা বন্ধ করে অ্য়াটর্নি জেনারেলেন বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, ক্ষতিপূরণ দেওয়া কেন্দ্রীয় সরকারের বাধ্য়বাধকতা নেই। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই ক্ষোভ প্রকাশ করে রাজ্যগুলি। এরমধ্যেই, ক্ষতিপূরণের বিকল্প প্রস্তাবের চিঠি সব রাজ্যকে দেয় কেন্দ্র।

এরপরই ক্ষোভ প্রকাশ করে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেন পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। তিনি বলেন, এই ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতি পূরণ হবে না বলে ইউপিএ জামানায় জিএসটি চালুর প্রস্তাবে সায় দেয়নি বিজেপি। কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর, জনগণের সেই বিশ্বাস ভাঙল বিজেপি। পাশাপাশি, তাঁর হুঁশিয়ারি কেন্দ্র জিএসটি ক্ষতিপূরণের ঘাটতি না মেটালে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। রাজ্যগুলির সমস্ত ক্ষমতা সরাসরি কেন্দ্রের হাতে চলে যাবে বলে মন্তব্য করেন অমিত মিত্র। এই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে বিজেপি শাসিত রাজ্য সহ ১৫টি রাজ্য। তাঁদের সঙ্গে আলোচনার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক হবে বলে জানান অমিত মিত্র। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে কিছু রাজ্য়ের আর্থিক মেরুদণ্ড ভেঙে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

করোনাকে দৈবদুর্বিপাক বলে মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এর তীব্র কটাক্ষ করেন অমিত মিত্র। পরিকল্পনা ছাড়াই নোটবন্দি তাহলে কী প্রভাব পড়েনি দেশের অর্থনীতিতে? সব কিছু কী করোনাই করেছে? কেন্দ্রকে প্রশ্ন অমিত মিত্রের।