চোখ খুলেই রাজ্য়পালকে ইশারা করলেন বুদ্ধদেব যা শুনে পাল্টা একী বলছেন বললেন রাজ্যপাল কী কথা হল বুদ্ধবাবুর সঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কলকাতার উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। হাসপাতালে আসতেই দ্রুত তাঁকে আইসিসিইউ -তে ভর্তি করা হয়। ইতিমধ্যেই প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রীকে হাসপাতালে দেখতে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে রাজ্য়পাল বলেন, ওনাকে সুস্থ করতে সব ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৫ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড বসিয়েছে হাসপাতাল। আমি ওনার কাছে ১৫মিনিট ছিলাম। এক সময় মুখের মাস্ক খুলে হাত জোড় করে হাসপাতালে আসার জন্য় ধন্যবাদ জানান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। ওনাকে আমি বলি এরকম বলবেন না। এটা আমার কর্তব্য, তাই আমি এসেছি। তবে এই প্রথমবার নয়,রাজ্য়ের রাজ্য়পাল পদে বসার পরই বুদ্ধদেবের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যপাল। সস্ত্রীক বুদ্ধবাবুর পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে যান জগদীপ ধনকড়।


সেই সৌজন্য়ে বহুদিন পর বুদ্ধদেবের ছবিও আসে প্রকাশ্যে। বুধবার বিকেলে আচমকাই বালিগঞ্জের পাম অ্যাভিন্যুয়ে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বাড়িতে গিয়ে হাজির হন রাজ্যপাল। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যপালের স্ত্রী সুদেশ ধনকড়। প্রায় মিনিট পচিশেক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্ষের বাড়িতে ছিলেন রাজ্যপাল এবং তাঁর স্ত্রী। বুদ্ধদেবের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্ষের সঙ্গেও বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন রাজ্যপালের স্ত্রী। বুদ্ধদেবের সঙ্গেও বেশ কিছুক্ষণ রাজ্যপালের কথা হয়। এই সৌজন্যমুলক সাক্ষাতকারের যে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে তাতে বাঙালির সেই চির পরিচিত মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের চেহারার কোনও মিল নেই, বোঝাই যাচ্ছে, হৃদযন্ত্রের অসুখ ও শরীরের বিভিন্ন অসুবিধা তার সেই সৌম্যকান্তি চেহারায় থাবা বসিয়েছে। 


পরে বুদ্ধদেবের বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় জানান, এটা একটা সৌজন্যমুলক সাক্ষাকার ছিল। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে চেনেন। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্বভার নিয়ে কলকাতায় রাজভবনে অধিষ্ঠান করলেও বুদ্ধদেবের সঙ্গে সাক্ষাতে তাঁর মন ছিল ব্যাকুল। দীর্ঘ দিনের পরিচিত রাজনৈতিক বন্ধুর শরীরের হাল-হকিকত জানতে তিনি তৎপর ছিলেন। আর সেইজন্য পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে স্ব-স্ত্রীক হাজির হয়েছিলেন বুদ্ধদেবের পাম অ্যাভিন্যুয়ের ফ্ল্যাটে।