রাজ্যের অবস্থা হয়েছে বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই কড়া বার্তা দেন, ততই ফাঁক ধরা পড়ে যায়। সে অভিনেত্রী হেনস্থা হোক বা ভাঁটপাড়া। পুলিশের ব্যর্থতাই বারবার ফুটে উঠছে। এবার সেই ব্যর্থতাকে দূর করতেই সিভিক গোয়েন্দাকে রাস্তায় নামাতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ্য সরকার বিবৃতি জারি করে এই সিভিক গোয়েন্দা নিয়োগের কথা ঘোষণা করেছে। এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট ১ লক্ষ ২৫ হাজার সিভিক পুলিশ রয়েছে। তাঁদের মধ্য়ে থেকেই বেছে সিভিক গোয়ান্দা নিযুক্ত করা হচ্ছে ৫৩৮৫ জনকে। রীতিমতো যোগ্যতা খতিয়ে দেখেই করেই নিয়োগ করা হচ্ছে এই সিভিক গোয়েন্দাদের। 

ঠিক কী কাজ করবেন এই সিভিক গোয়ান্দারা? সূত্রের খবর, সিভিক গোয়েন্দারা রাজ্য পুলিশ ও গোয়ান্দা বিভাগের মধ্যে সংযোগ রেখে কাজ করবে। তাঁদের ভূমিকা হতে পারে অনেকটা পুলিশের সোর্সের মত। নানা প্রত্যন্ত জায়গার আগাম খবর তাঁরা পৌঁছে দেবেন পুলিশের কাছে। 

সন্দেশখালি হোক বা ভাটপাড়া, গ্রাম-মফস্সলে ভোট পরবর্তী সময়ে অশান্তি প্রতিদিন বাড়ছে। প্রশাসন বুঝতে পারছে, সংযোগহীনতার কারণেই বিষয়গুলি অনেক সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। সেই ক্ষতই মেরামত করতে বদ্ধপরিকর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্ৰশাসন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য়, লোকসভা ভোটে যেখানে যেখানে বিজেপি জয়লাভ করেছে সেই অঞ্চলগুলিকেই পাখির চোখ করেছে প্রশাসন। স্পর্শকাতর অঞ্চল বলে চিহ্নিত করা হয়েছে ইতিমধ্যেই ৯ জেলাকে। দেখা যাচ্ছে এই নয়টি জেলাতেই সদ্য শেষ হওয়া লোকসভা ভোটে বেশ ভালই ক্ষতি হয়েছে তৃণমূলের। তাছাড়া আক্ষরিক অর্থেই বারাসাত-বসিরহাট অঞ্চলে প্রতিদিন বাড়ছে উত্তেজনা-হিংসা। সেই বিষয়টিকে রোধ দিতেই এবার পদক্ষেপ নিল আইবি।