আজ আমরা আপনাদের জন্য এমন কিছু পদ্ধতি নিয়ে এসেছি, যার সাহায্যে কেমিক্যাল পণ্য ছাড়াই ঘরে বসে চুল সোজা করা যায়। তো চলুন জেনে নেই এই ব্যবস্থাগুলো সম্পর্কে।

হেয়ার স্ট্রেটনিং করার জন্য পার্লারে গিয়ে হাজার হাজার টাকা খরচ করেন অনেকেই। তবু মনের মত হেয়ার স্ট্রেটনিং পাওয়া যায় কি।জানে কি আপনার পছন্দমত হেয়ার স্ট্রেটনিং এবার করতে পারবেন ঘরে বসে, তাও খুব কম খরচে। ভাবছেন সেটা আদৌ সম্ভব কীনা? আজ্ঞে হ্যাঁ। সেটা সম্ভব। আজ আমরা আপনাদের জন্য এমন কিছু পদ্ধতি নিয়ে এসেছি, যার সাহায্যে কেমিক্যাল পণ্য ছাড়াই ঘরে বসে চুল সোজা করা যায়। তো চলুন জেনে নেই এই ব্যবস্থাগুলো সম্পর্কে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সেলারি

সেলারি গুণের ভাণ্ডার। এতে প্রোটিন থেকে শুরু করে মিনারেল সবই রয়েছে। প্রাকৃতিক উপায়ে চুল সোজা করতে চাইলে আজওয়ান পাতা ভেঙ্গে ধুয়ে জলেতে ভিজিয়ে ফুটিয়ে নিন। জল ফিল্টার করে একটি বোতলে ভরে সারারাত ফ্রিজে রেখে দিন। সকালে চুলে লাগান এবং প্রায় দুই ঘন্টা শুকাতে দিন। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্ক সপ্তাহে একবার ব্যবহার করা যেতে পারে।

মুলতানি মাটি

মুলতানি মাটির সাহায্যেও চুল সোজা করা যায়। মুলতানি মাটিতে শুধু দুই টেবিল চামচ চালের আটা এবং একটি ডিমের কুসুম যোগ করুন। এবার এই মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে এক ঘণ্টা রেখে শুকাতে দিন। এই মিশ্রণটি শুকিয়ে গেলে হালকা গরম জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার এই প্রতিকার করলে চুল শীঘ্রই সোজা হয়ে যাবে, সেই সঙ্গে দেখাবে সিল্কি ও মজবুত।

বিয়ারের বিস্ময়

বিয়ারের সঠিক ব্যবহার মুখ থেকে চুল পর্যন্ত অনেক উপকার করে। এতে উপস্থিত ভিটামিন বি, যা চুলের গোড়া মজবুত করার পাশাপাশি তাদের পুষ্টি যোগায়। চুল সোজা করতে প্রথমে বেবি শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে তারপর বিয়ার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এক ঘণ্টা পর চুল শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু দিয়ে আবার চুল ধুয়ে তাতে কন্ডিশনার লাগান। একটানা এক সপ্তাহ এভাবে করলে কোঁকড়া চুল স্বাভাবিকভাবে সোজা হতে শুরু করে।

কলার মাস্ক

কলা শুষ্ক চুলকে যেমন আর্দ্রতা দেয় তেমনি পুষ্টিও দেয়। চুলে কলার মাস্ক লাগাতে, একটি পাত্রে দুটি কলা ম্যাশ করুন। এবার এর মধ্যে দুই চামচ অলিভ অয়েল, দুই চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণ চুলের গোড়া থেকে শেষ পর্যন্ত লাগান। গরম তোয়ালে দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন। এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর হালকা গরম জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার এই মাস্ক লাগালে চুলে প্রভাব দেখা যাবে।