খাওয়া বাদ দিয়ে উপোস করলে বরং পুষ্টির ঘাটতি থেকে যাবে। তাই নিয়ম করে পান করুন কিছু পানীয় যা শরীর 'ডিটক্স' করবে, পাশাপাশি ওজনও কমাবে। এই সব পানীয় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

এক মাসে ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে এমন তিনটি পানীয় হলো জিরা জল, লেবু-আদা চা এবং সবুজ স্মুদি (পালং/আপেল)। এই পানীয়গুলো মেটাবলিজম বাড়ায়, শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে, হজমশক্তি উন্নত করে এবং ক্ষুধা কমায়, তবে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের সাথে এগুলো পান করলে ভালো ফল পাওয়া যায়; শুধুমাত্র পানীয়ের উপর নির্ভরশীল হলে চলবে না। ওজন কমাতে সহায়ক পানীয়:

১. জিরা ভেজানো জল:

উপকারিতা: এতে থাকা ফাইবার হজমশক্তি বাড়ায়, শরীর থেকে টক্সিন বের করে এবং মেদ কমাতে সাহায্য করে। প্রণালী: রাতে এক গ্লাস জলে এক চামচ জিরা ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে এই জল ছেঁকে পান করুন।

২. লেবু-আদা চা: উপকারিতা:

লেবুর ভিটামিন সি এবং আদার অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণাবলী মেটাবলিক রেট বাড়াতে ও হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। প্রণালী: গরম জলে থেঁতো করা আদা ফুটিয়ে ছেঁকে নিন। এতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।

৩. পালং শাক ও আপেলের স্মুদি: 

উপকারিতা: কম ক্যালোরি ও পুষ্টিতে ভরপুর এই স্মুদি পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন যোগায়, যা ওজন কমাতে সহায়ক। প্রণালী: আপেল, শসা ও পালং শাক একসাথে ব্লেন্ডারে পিষে নিন। চাইলে একটু পুদিনা পাতা যোগ করতে পারেন। গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

* পর্যাপ্ত জল: সারাদিন পর্যাপ্ত জল পান করা অপরিহার্য, যা তৃষ্ণা ও ক্ষুধাকে নিয়ন্ত্রণ করে। * সুষম খাবার: এই পানীয়গুলি উপকারী হলেও, ওজন কমানোর জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা সবচেয়ে জরুরি। * শর্করা বর্জন: মিষ্টি পানীয় বা চিনিযুক্ত জুস এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো ওজন বাড়াতে পারে।