কালীপুজো এবং দীপাবলির সময়ে বাজি ফাটানোর ফলে দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। বাজির ধোঁয়া ফুসফুসের পক্ষে যেমন ক্ষতিকর, তেমনই ত্বকের পক্ষেও।

বাজির ধোঁয়া ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর, কারণ এতে থাকা রাসায়নিক ও দূষিত কণা ত্বকের লোমকূপের মধ্যে ঢুকে প্রদাহ, কালো দাগ, ব্রণ এবং অকাল বার্ধক্যের কারণ হতে পারে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এই ক্ষতি থেকে ত্বককে বাঁচাতে রূপচর্চার চারটি ধাপ অনুসরণ করা যেতে পারে - (১) পরিষ্কার করা, (২) টোনিং, (৩) ময়েশ্চারাইজিং, এবং (৪) সুরক্ষামূলক মাস্ক ব্যবহার।

* রূপচর্চার চারটি ধাপ :

১. পরিষ্কার করা: বাজির ধোঁয়া ও ধুলো ত্বক থেকে দূর করতে একটি ভালো ক্লিনজার ব্যবহার করুন। বিশেষ করে, ত্বককে ভালোভাবে পরিষ্কার করার জন্য দুইবার মুখ ধোওয়া দরকার হতে পারে, কারণ সাধারণ ধোওয়ায় সব দূষিত কণা নাও দূর হতে পারে।

২. টোনিং: মুখ ধোয়ার পর একটি টোনার ব্যবহার করুন। এটি ত্বকের pH স্তর ঠিক রাখতে এবং লোমকূপকে বন্ধ করতে সাহায্য করে। এটি ত্বকের উপর অবশিষ্ট দূষিত কণা দূর করতেও সহায়ক।

৩. ময়েশ্চারাইজিং: ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এটি ত্বকের উপর একটি সুরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে, যা দূষিত কণা ও রাসায়নিক থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

৪. সুরক্ষামূলক মাস্ক: সপ্তাহে এক বা দুইবার একটি ফেস মাস্ক ব্যবহার করুন। এই মাস্কগুলি ত্বকের গভীর থেকে ময়লা ও বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয় এবং ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে।

* অতিরিক্ত টিপস: বাজির ধোঁয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করতে, বাইরে থাকাকালীন ত্বকের উন্মুক্ত অংশ যতটা সম্ভব ঢেকে রাখুন। ঘরে ফিরে এলে প্রথমে হাত ও মুখ ভালোভাবে ধুয়ে নিন এবং জামাকাপড় বদলে নিন। অতিরিক্ত সুরক্ষা দিতে, ত্বকের জন্য উপযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। বিশেষ করে, শিশুদের বাজি থেকে দূরে রাখুন এবং তাদের মাস্ক পরান, কারণ তাদের ত্বক সংবেদনশীল হয়।