কলার খোসা চুলের পক্ষে খুবই উপকারী একটি উপাদান। কলার খোসা জলে ভিজিয়ে হোক বা বেটে লাগালে চুলের সতেজতা ও মসৃণ ভাব বজায় থাকে।

প্রায়শই আমরা ফল খেয়ে ফলের বাইরের অংশটা ফেলে দিই। যেমন কলা খেয়ে আমরা কলার খোসা বাইরে ফেলে দিই। কলা যেমন আমাদের শরীরের উপকারী একটি ফল। তেমনি কলার খোসা টিকেও আমরা ফেলে না দিয়ে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করতে পারি। কাঁচা কলার খোসা যদিও আমরা রন্ধন কার্যে ব্যবহার করে থাকি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

তেমনি পাকা কলা খাওয়া যতটা পুষ্টিগুণ রয়েছে তার খোসার তার চেয়ে বেশি কিছু কম না। এমনকি কলার খোসায় এমন কিছু বিশেষ উপকরণ রয়েছে যা চুলের জন্য খুবই আমাদের উপকারী। পাকা কলার খোসা চুলের গোড়ায় গোড়ায় পুষ্টি যোগায় এবং চুলকে বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

এছাড়াও চুল পড়ার সমস্যা অনেকটাই কমিয়ে দেয় এই পাকা কলার খোসা প্রতিনিয়ত ব্যবহার করলে।

আমরা অনেকেই কমবেশি জানি যে কলার খোসায় পটাশিয়াম থাকে। যা চুলের ফলিক্যাল গুলোকে খুবই মজবুত করে এবং চুল পড়া কমিয়ে দেয়।

এছাড়া কলার খোসায় থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এর সাথে থাকে ম্যাগনেসিয়াম। এটি মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালনের উন্নত করে এবং চুলের বৃদ্ধিকে সহায়তা করে।

এছাড়াও চুল পড়ার সমস্যা অনেকটাই কমিয়ে দেয় এই পাকা কলার খোসা প্রতিনিয়ত ব্যবহার করলে।

আমরা অনেকেই কমবেশি জানি যে কলার খোসায় পটাশিয়াম থাকে। যা চুলের ফলিক্যাল গুলোকে খুবই মজবুত করে এবং চুল পড়া কমিয়ে দেয়।

কলার খোসা থেকে ভিটামিন বি ৬ এবং ভিটামিন সি চুলের মধ্যে স্থিতিস্থাপকতা আনে এবং চুলকে প্রচুর পরিমাণে মজবুত বানায়।

অন্যদিকে কলার খোসা ব্যবহারে চুলের এক প্রকার ময়শ্চারাইজার হয়। যা চুল পড়া চুলের রুক্ষতা ভাব এবং চুল শুষ্ক হয়ে যাওয়া খসখসে হয়ে যাওয়া থেকে চুলকে মসৃণ ও কোমল করে তোলে।

এছাড়া চুলে পিএইচ ব্যালেন্স করে কলার খোসা। কলার খোসা ভেজানো জল চুলের স্বাস্থ্য ভালো করতে সহায়তা করে।

এবার জেনে নিন কলার খোসাগুলি কিভাবে ব্যবহার করবেন:

একটি পাত্রে জল নিয়ে তাতে কলার খোসা দিয়ে ফুটিয়ে বাটির জল অর্ধেক হয়ে এলে আজ থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে ওই জল একটি স্প্রে বোতলে ভরে দিন এরপর সাধারণ জল দিয়ে ভালো করে চুলটা ধুয়ে ফেলুন। এই জলটি আপনার প্রাকৃতিক ভাবে তৈরি করা কন্ডিশনার হিসাবে কাজ করবে।

এরপর চুলের আরেকটি উপায় হল কলার খোসাকে ভালো করে নারকেল তেলের সঙ্গে চটকিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে ফেলুন। তারপর ওটা চুলের গোড়ায় গোড়ায় এবং চুলের ওপরে ভালোভাবে পেজটি মাখিয়ে দিন। ৩০ মিনিট রেখে ভালো করে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটা আপনার চুল পড়া কমাতে এবং চুলের উজ্জ্বল ভাব আনতে সহায়তা করবে। সর্বশেষ উপায় হল কয়েকটি গলার খোসা নিয়ে ব্লেন্ডারে ভালো করে বেটে নিয়ে তার সঙ্গে টক দই ও মধু মিশিয়ে একটা প্যাক তৈরি করুন। এটি মাথার ত্বকে এবং চুলে লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। তারপর শ্যাম্পু করে চুলটা ভালো করে ধুয়ে ফেলুন এবং দেখবেন শ্যাম্পু করার পরে চুলটা বেশ মোলায়েম এবং উজ্জ্বল হয়েছে।