নাগরিকত্ব সংশোধনি বিলের প্রস্তাব সামনে আসার পর থেকেই বিনোদন কিংবা পর্যটন, ক্ষতির মুখ দেখতে হচ্ছে সকলকেই। বর্ষ শেষ হোক কিংবা বর্ষবরণ, সেভাবে মানুষের মধ্যে উচ্ছাস এবার দেখা গেল না। একের পর এক ট্রেন বাতিল, বাতিল হয়েছিল একাধিক বিমানও। বাইরে থাকা পর্যটকেরা ফিরতে পারছিলেন না বাড়িতে। এমনই পরিস্থিতিতে মানুষ মুখ ফিরিয়েছে ভ্রমণ পরিকল্পনা থেকে। 

আরও পড়ুনঃ বর্ষবরণের সঙ্গে চোখ রাখুন সেরা সংকল্পে, জয় করুন নতুন বছর

বর্ষ শেষের পার্টি মানেই বিচ। অনেকেই আবার গরমের দিনে উপকূলবর্তী এলাকাতে ঘুরে যেতে না পারার জন্য শীতের মরসুমকেই বেছে নিয়ে থাকেন। তাই গাড়ি ভাড়া থেকে হোটেল ভাড়া, ডিসেম্বর জানুয়ারিতে এক লাফে বেড়ে যায় বেশ খানিকটা। পাওয়া যায় না হোটেলও। কিন্তু এবার সেই চিত্র চোখে পড়ল না গোয়াতে। রাতের শহর হোক কিংবা দিনের ভ্রমণ, শীতের ভ্রমণ তালিকাতে অবশ্যই থেকে যায় গোয়ার নাম। 

এবার সিএএ প্রতিবাদের জেরে মানুষ ঝুঁকি নিচ্ছে না ভ্রমণে বেড়িয়ে। যার ফলেই সেভাবে ভিড় জমল না বর্ষবরণে উৎসবে। প্রতিবছরের চেনা ছবি দেখা গেল না গোয়াতে। সেভাবে লোক হয়নি এবছর। ফলে ব্যবসা জমল না ব্যবসায়ীদের। পর্যটনের জন্যও তা ক্ষতিকারক। বেশ কয়েকটি হোটেল ফাঁকাই পড়ে রয়েছে। টুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাত্র পঞ্চাশ শতাংশ পর্যটক এবার গোয়ায় এসেছে।