গ্রিন টি-তে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ক্যাটেচিন মেটাবলিজম বাড়িয়ে শরীরের ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। তবে শুধু গ্রিন টি নয়, এর পাশাপাশি সঠিক ডায়েট ও নিয়মিত ব্যায়াম করা জরুরি। ব্রেকফাস্ট ও দুপুরের খাওয়ার পর এটি খেলে হজম ক্ষমতা বাড়ে।

আজকাল স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের কাছে গ্রিন টি দারুণ জনপ্রিয়। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আর পুষ্টিগুণ শরীরের অনেক উপকারে আসে। গ্রিন টি শরীরের ফ্যাট বার্নিং বা চর্বি ঝরানোর প্রক্রিয়াকে দ্রুত করে, এমনটাই বলছে বেশ কিছু গবেষণা। এতে ক্যালোরি কম থাকে, কিন্তু ভিটামিন ও মিনারেল থাকে ভরপুর। ফলে শরীরের মেটাবলিজম বাড়ে এবং এনার্জি খরচ করার ক্ষমতাও বাড়ে।

তবে শুধু গ্রিন টি খেলেই হবে না। স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমাতে চাইলে এর পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম আর সঠিক ডায়েট মেনে চলা জরুরি। গ্রিন টি-তে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কাজ করে।

ভিটামিন ই, ভিটামিন সি এবং বিটা ক্যারোটিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে নানা রোগের হাত থেকে বাঁচায়। এছাড়া এতে 'ক্যাটেচিন' নামের একটি উপাদান থাকে। এই ক্যাটেচিন মেটাবলিজম বাড়িয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

গ্রিন টি-তে থাকা ক্যাফেইন উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এটি চর্বি পোড়াতে এবং ব্যায়াম করার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যাটেচিনও ফ্যাট বার্ন করতে এবং মেটাবলিক রেট বাড়াতে দারুণ উপকারী।

গ্রিন টি-তে ক্যালোরি একদমই কম থাকে। তাই বিকেলের হালকা স্ন্যাকসের সঙ্গে অনায়াসেই গ্রিন টি খাওয়া যায়। এটি মেটাবলিক রেট বাড়ায়, ফ্যাট ভাঙতে সাহায্য করে এবং ইনসুলিনের কাজ আরও ভালো করে। ব্রেকফাস্ট এবং দুপুরের খাওয়ার পর গ্রিন টি খেলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। এটি মেটাবলিজম দ্রুত করে খাবার হজম করতেও সাহায্য করে।