ভারতের বেশিরভাগ রাজ্যে হোলি দু’দিন ধরে উদযাপিত হয়। আর হোলির প্রথম দিনটিকে বলা হয় হোলিকা দহন বা ন্যাড়াপোড়া। এই দিন সাধারণত অশুভ শক্তির বিনাশ করা হয় এবং দ্বিতীয় দিন হোলি উৎসব পালন করা হয়। কিন্তু পঞ্জিকা কী বলছে জানুন বিস্তারিত!
২০২৬ সালে হোলি বা দোল উৎসব পালিত হবে ৩রা মার্চ (মঙ্গলবার) দোলের পূজা এবং ৪ঠা মার্চ (বুধবার) রঙের উৎসব (রঙওয়ালি হোলি) হিসেবে উদযাপিত হবে। ন্যাড়াপোড়া বা হোলিকা দহন হবে ৩রা মার্চ সন্ধ্যায় ।
ফাল্গুন পূর্ণিমা তিথি ২রা মার্চ বিকেল ৫:৫৫ মিনিটে শুরু হয়ে ৩রা মার্চ বিকেল ৫:০৭ মিনিটে শেষ হবে
২০২৬ হোলি ও দোল উৎসবের বিস্তারিত সময়সূচি:
* হোলিকা দহন (ন্যাড়াপোড়া): ৩রা মার্চ ২০২৬ (মঙ্গলবার)
• শুভক্ষণ/মুহূর্ত: সন্ধ্যা ৬:২২ মিনিট থেকে রাত ৮:৫০ মিনিট পর্যন্ত।
* দোল যাত্রা / দোল পূর্ণিমা: ৩রা মার্চ ২০২৬ (মঙ্গলবার) ।
* রঙের হোলি (ধুলান্দি): ৪ঠা মার্চ ২০২৬ (বুধবার)
হোলি উদযাপনের নিয়মকানুন ও নিয়মাবলী:
১. হোলিকা দহন: দোলের আগের সন্ধ্যায় হোলিকা দহনের পূজা করা হয়। আগুনে কাঁচা সুতো জড়িয়ে সাতবার পরিক্রমা করে অশুভ শক্তির বিনাশ কামনা করা হয় ।
২. দোল যাত্রা (৩রা মার্চ): রাধাকৃষ্ণের মূর্তিকে আবির ও গুলাল দিয়ে পূজা করা হয় এবং দোলায় চড়িয়ে দোল উৎসব শুরু হয়।
৩. রঙের খেলা (৪ঠা মার্চ): পরদিন সকালে আবির, গুলাল ও রঙ নিয়ে বন্ধু-বান্ধব ও পরিবার পরিজনের সাথে রঙের উৎসব পালিত হয়।
৪. ঐতিহ্যগত খাবার: এই উৎসবে গুজিয়া (গুঝিয়া), মালপুয়া, দই বড়া এবং ঠান্ডাই উপভোগ করা হয় ।
৫. নতুন শুরুর প্রতীক: পুরোনো বিরোধ ভুলে নতুন সম্পর্ক গড়ার বার্তা দেয় এই উৎসব।
বিশেষ টিপস্ : পঞ্চাঙ্গ অনুসারে সময় কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।
