গ্রীষ্মকালে ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং প্রাকৃতিক উপায়গুলি কার্যকর। নিয়মিত স্নান, উপযুক্ত পোশাক, ডিওডোরেন্ট, পাউডার এবং সুষম খাদ্য গ্রহণ করলে ঘামের সমস্যা কমে।
গ্রীষ্মকালে ঘাম হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে কিছু সহজ এবং কার্যকর উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে। সঠিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সুষম খাদ্য এবং প্রাকৃতিক উপায় ব্যবহার করলে আপনি সারাদিন সতেজ থাকতে পারবেন।
১) নিয়মিত স্নান করুন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন
- ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে সকাল-সন্ধ্যায় স্নান করা জরুরি।
- স্নানের জন্য ব্যাকটেরিয়া-নাশক সাবান (Antibacterial Soap) ব্যবহার করুন।
- ঠান্ডা পানি অথবা লেবু-পানি দিয়ে স্নান করলে ঘামের দুর্গন্ধ কমে।
২) উপযুক্ত পোশাক পরুন ( Breathable Clothes)
- গ্রীষ্মকালে হালকা, ঢিলেঢালা এবং সুতির পোশাক পরা উচিত।
- সিন্থেটিক (Polyester, Nylon) পোশাক থেকে দূরে থাকুন, কারণ এগুলি ঘাম শোষণ করে না এবং দুর্গন্ধ বাড়ায়।
- রঙিন এবং গাঢ় রঙের পোশাকের চেয়ে হালকা রঙের পোশাক পরা উচিত, কারণ এগুলি তাপ কম শোষণ করে।
৩) ডিওডোরেন্ট এবং পাউডার ব্যবহার করুন
- স্নানের পর আন্ডারআর্মস, উরুসন্ধি এবং ঘাম হওয়া স্থানে ট্যালকম পাউডার লাগান।
- অ্যালুমিনিয়ামযুক্ত ডিওডোরেন্ট (Antiperspirant) রাতে ঘুমানোর আগে লাগালে ঘাম কম হয়।
- লেবু এবং গোলাপজলের মিশ্রণ ঘামের স্থানে লাগালে দুর্গন্ধ কমে।
৪) খাদ্যাভ্যাসে নিয়ন্ত্রণ রাখুন (Healthy Diet)
- ফাস্টফুড, মশলাদার খাবার, রসুন, পেঁয়াজ, ঝাল এবং মদ্যপান কম করুন, কারণ এগুলি ঘামের দুর্গন্ধ বাড়ায়।
- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার (লেবু, কমলা, মোসাম্বি) খেলে ঘামের দুর্গন্ধ কমে।
- তুলসী, পুদিনা এবং ধনেপাতার রস পান করা উপকারী।
- প্রচুর পানি পান করুন (২.৫-৩ লিটার প্রতিদিন), যাতে শরীর থেকে টক্সিন বের হয়ে যায় এবং ঘামের দুর্গন্ধ কমে।
৫) প্রাকৃতিক ঘরোয়া উপায়
- লেবু এবং বেকিং সোডা
- লেবুর রস আন্ডারআর্মস অথবা পায়ে লাগালে ব্যাকটেরিয়া মরে এবং দুর্গন্ধ হয় না।
- বেকিং সোডা + পানি মিশিয়ে ঘাম হওয়া স্থানে লাগালে দুর্গন্ধ দূর হয়।
