গোটা বিশ্বের কাছে এক ভয়ঙ্কর নাম এই করোনা। এই নামটা শুনলেই প্রত্যেকেই যেন আতঙ্কিত। চিনের পর  এবার দক্ষিণ কোরিয়া।  নভেল করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে।  আজ নতুন করে  করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১২৩ জন। সবমিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৫৬ জন। এই মুহূর্তে ৯ হাজার বাসিন্দাকে রাতারাতি কোয়ারান্টাইনে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আপাতত নিজেদের বাড়িতেই তারা আলাদাভাবে থাকে। এই বাসিন্দাদের মধ্যে বেশিরভাগই  ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

 

 

আরও পড়ুন-বন্ধ হতে চলেছে এলআইসি-র এই বিশেষ যোজনা, মাথায় হাত পেনশন ভোগীদের...

 

 

আরও পড়ুন-নিজেকে বদলাতে চান, হেয়ার স্টাইলেই ফুটে ওঠবে আপনার ব্যক্তিত্ব...

সম্প্রতি একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যায় যোগ দিয়েছিলেন তারা। সেখান থেকেই এই ভাইরাস ছড়িয়েছে রাজধানী সোলেও।  একাদিক শহর থেকে, শপিং মল, সিনেমা হল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সতর্ক করা হয়েছে সাধারণ মানুষকে। ইতিমধ্যেই এক কর্মী অসুস্থ হওয়ায় তাদের কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে সামসাং।মুহূর্তের মধ্যে একজনের থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস।  মানুষের নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের সঙ্গেই ছড়িয়ে যাচ্ছে এই রোগের জীবানু। কোনওভাবেই আটকানো যাচ্ছে না এই ভাইরাসকে।  সার্সের থেকে ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে এই করোনা ভাইরাস। ক্রমশই যেন ভয়াবহ আকার নিচ্ছে করোনা। 

আরও পড়ুন-বাজার চলতি কেমিক্যাল নয়, ভরসা রাখুন বাড়ির তৈরি স্ক্রাবারে...


ইতিমধ্যেই এই রোগকে মহামারি বলে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনা ভাইরাসের আঁতুড়ঘর চিন। এই নিয়েই উদ্বেগ ছড়াচ্ছে ক্রমশ। চিকিৎসক মহলের দাবি, আক্রান্তের তুলনায় মৃত্যুর হার সার্সের সময় অনেক বেশি ছিল।  করোনা ভাইরাসের ফলে যে বিপুল সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন তার তুলনায় মৃত্যুর হার যথেষ্ঠই কম।  কিন্তু এই ভাইরাস অতি দ্রুত ছড়াচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফ থেকেও জানানো হয়েছে কোনও ভারতীয় যেন চিনে না যায়।   অন্যদিকে করোনা ভাইরাস নিয়ে জাতীয় স্তরে হেল্পলাইন নম্বরও চালু করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস 'ইউহান করোনা ভাইরাস' বা 'চিনা করোনা ভাইরাস নয়', এবার নয়া নামকরণ হল করোনা ভাইরাসের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী এই করোনা ভাইরাসের অফিশিয়াল নাম 'কোবিড-১৯'।  এই আতঙ্কের মধ্যে সুখবর শুনিয়েছে  বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা। দেড় বছরের মধ্যেই এই ভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কার করে ফেলবেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু তাতেও কিছু হচ্ছে না । মৃত্যু সংখ্যা যেন  লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েই চলেছে।