জ্যোতিষ বলে- বাড়ির উত্তর দিকে নিমগাছ মানেই বাড়ির সদস্যদের মধ্যে ইতিবাচক ভাবনা সঞ্চার। কিন্তু এ তো সনাতন ভাবনা। বি়জ্ঞানসম্মত ভাবেই এই গাছের বহুবিধ ব্যবহার ২০০০ বছর ধরে মানুষের সভ্যতাকে রক্ষা করেছে। সালোকসংশ্লেষের ফলে বাড়তি অক্সিজেন সরবরাহ করা তো আছেই, মানুষের নিত্য অসুখ-বিসুখে সহায় এই নিম। 

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিমের মধ্যে থাকা জেডুনিম যৌগ ম্যলেরিয়া দূরীকরণেও সক্ষম। বিস্তারিত জানুন নিমের আরও গুণাগুণ।


.যে কোনও ক্ষতস্থানে নিমপাতা লাগালে তা ম্যাজিকের মত কাজ করবে। ইনফেকশন থেকে রক্ষা পাবেন আপনি।

.ত্বক ভাল রাখতেও নিমপাতার জুড়ি নেই। ব্রণ বা মুখের কালো ছোপ দূর করতে নিমপাতা ব্যবহার করুন।

.ডায়েবেটিস রুগিদের ডায়েটে নিমপাতা থাকা জরুরি।

.মুখের দুর্গন্ধও দূর করে নিমপাতা। নিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজার অভ্যেস তো বাঙালির ছিলই।
ওরাল হেল্ফ ঠিক রাখতে সেই অভ্যাস ফিরিয়ে আন্তে বলছে দাঁতের চিকিৎসকরা।

.চুল ভাল রাখতেও ব্যবহার করা যায় নিমপাতা। শ্যাম্পু করার পরের নিম ফোটানো জলে চুল ধুলে উপকার পাওয়া যায়।