বর্ষা এসে গিয়েছে। আর বাঙালির কাছে বর্ষা মানে বৃষ্টির শব্দ উপভোগ করার সঙ্গে গরম গরম খিচুড়ি। কিন্তু খিচুড়িরও হয় নানা রকম ফের। বিশেষ করে যাঁরা খিচুড়ি প্রেমী, তাঁদের এই বিশেষ খিচুড়ি অবশ্যই খেয়ে দেখা উচিত ও বাড়ির সকলকে খাওয়ানো উচিত। 

বাঙালি চিরকালই আমিষ প্রেমী। তাই রইল একটি নিরামিষ ও একটি আমিষ খিচুড়ির রেসিপি- 

নারকেলের খিচুড়ি- 

উপকরণ- 
বাসমতী চাল- ২ কাপ
গোটা সবুজ মুগ- এক কাপ 
কুচনো নারকেল- ২/৩ কাপ
হলুদ গুঁড়ো-  ১/৫ কাপ
হিং- সামান্য আন্দাজ মতো
জিরের গুঁড়ো- ১ চা-চামচ
চিনি- ১/৪ কাপ
ধনে পাতা কুচনো- ১ কাপ 
ঘি- ১ টেবিল চামচ
তেল- ১ চা-চামচ 
নুন আন্দাজ মতো 

প্রণালী- প্রেশার কুকারে ঘি, তেল ও হিং দিন। হালকা আঁচ থাকে যেন। এবার এর মধ্যে ভেজানো চাল ঢালুন। হালকা হাতে চাল নাড়ুন ২-৩ মিনিট। এবার এর মধ্যে মুগ, নারকেল, নুন, চিনি, ধনে পাতা, জিরে গুড়ো, হলুদ গুঁড়ো দিন। ভাল করে নাড়তে থাকুন যাতে চাল প্রেশার কুকারের গায়ে আটকে না যায়। এবারে এর মধ্যে ৪-৫ কাপ গরম জল ঢালুন। সব মিশিয়ে ঢাকা দিয়ে ২টো সিটি দিয়ে নামিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন। 

পাঁঠার মাংসের খিচুড়ি- 

উপকরণ
পাঁঠার মাংস- ৫০০ গ্রাম 
দেরাদুন রাইস- ৩০০ গ্রাম
বড় আলু
মুসুর ডাল- ১০০ গ্রাম
ভাজা মুদ ডাল- ১৫০ গ্রাম
পেঁয়াজ বাটা- ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ
আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ
টক দই- ১০০ গ্রাম
টোম্যাটো- ২টি
গোটা পেঁয়াজ- ১০০ গ্রাম
গরম মশলা-  ১ চা চামচ
ঘি- আন্দাজমতো
সরষের তেল- ১০০ গ্রাম
কাঁচালঙ্কা
নুন চিনি আন্দাজ মতো
জিরে, তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা ফোড়নের জন্য 

প্রণালী- মাংসে পেঁয়াজ, আদা, রসুন বাটা, টক দই, হলুদ ও লঙ্কা গুঁড়ো ম্যারিনেট করে রাখুন ১ ঘণ্টা। ফ্রাইং প্যানে আধ কাপ তেল ঢালুন। গরম হলে মাখা মাংস দিয়ে কষতে থাকুন। তেল ছেড়ে দিলে গরম জল ঢালুন। ঢাকা দিয়ে সেদ্ধ হতে দিন মাংস। ভাজা ভাজা  হলে নামিয়ে নিন। এবার একটি ডেচকিতে তেল, ঘি দিয়ে জিরে তেজপাতা ও শুকনো লঙ্কা দিন।  এর মধ্যে চাল ও ডাল দিয়ে ভাজতে থাকুন। এর মধ্য়ে এবার বাকি মশলা ও আলু দিন। যতচা চাল দিয়েছেন তার দ্বিগুণ জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে দিন। চাল ডাল সেদ্ধ হলে এর মধ্যে মাংস দিন। পুরোটা সেদ্ধ হলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।