মহামারী আবহে করোনা টিকাকরণ কিছুটা হলেও স্বস্তি এনেছে সাধারণ মানুষের মনে। প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে আগ্রাধিকার আনলেও প্রত্যেক সাধারণ মানুষকেই দেওয়া হবে এই টিকা। প্রথম ধাপেই প্রায় ৩০ কোটি দেশবাসীকে টিকাকরন করানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর জন্য অগাষ্ট মাসের মধ্যেই প্রায় ৫০ কোটি বেসরকারি সংস্থাগুলোক মাধ্যমে এই কার্য সম্পন্ন করার প্রচেষ্ট চালানো হচ্ছে। তবে সম্প্রতি ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া-র এক গবেষণা অনুযায়ী টিকাকরনের প্রথম ধাপে ৩০ কোটি দেশবাসীকে টিকা দিতে সরকারের খরচ হবে ৫৬০০০-৭২০০০ কোটি টাকা।

ভারত সরকারের নির্ধারতি লক্ষ্য অনুযায়ী ২০২১ সালের অগাষ্ট মাসের মধ্যে ৩০ কোটি দেশবাসীকে টিকাকরন এবং এর পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় ধাপে আরও ৫০ কোটি ভারতীয়কে টিকাকরন করতে ভারত সরকারের খরচ হবে আরও ৩৫০০০-৪৫,০০০ কোটি টাকা। এই পরিমান অঙ্ক জিডিপি-র ০.৩-০.৪ শতাংশ। SBI-র রিসার্চ অনুযায়ী করনো টিকাকরনের প্রতি ডোজের খরচ আনুমানিক ১০০-১৫০ টাকা। এছাড়া কোভিশিল্ড এর জরুরী কালীন ব্যবহারের জন্য প্রতি ডোজের দাম ২৫০-৩০০ টাকা‌ সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়াকে দিতে হবে। এর ফলে টিকার জন্য মাথাপিছু খরচ দাঁড়াবে ৭০০-৯০০ টাকা। 

এই রিসার্চের ভিত্তিতে  এস বি আই থিঙ্ক ট্যাঙ্ক জানিয়েছে, ভারত সরকারের ৮০ কোটি দেশবাসীকে করোনার টিকাকরন করতে খরচ হবে আনুমানিক ৫৬,০০০-৭২,০০০ কোটি টাকা। এসবিআই রিপোর্টে আরও জানিয়েছে, বছরের শেষের দিকে অর্থনৈতিক সূচকগুলির উন্নতির লক্ষণ রয়েছে। সূচকগুলি ৮৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেতে পারে। এর পাশাপাশি ভারত বায়োটেক জানিয়েছে, তাদের তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের প্রতি ডোজের দাম‌ ১০০ টাকার কম। তবে সঠিকভাবে এখনও কোনও দাম নির্ধারিত করা হয়নি।