আরও ২ সপ্তাহ বৃদ্ধি পেতে পারে লকডাউন। দীর্ঘ সময় ধরে ঘরবন্দি আমরা। করোনার ভাইরাসের প্রভাব এড়ানোর জন্য আমরা লকডাউনের প্রথম দিনগুলিতে যে স্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলি গ্রহণ করেছি তা এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এর পাশাপাশি এই সময়ে যে নিয়মগুলি অবশ্যই মেনে চলা উচিত এক নজরে দেখে নিন সেগুলি কি কি-

স্বাস্থকর খাদ্য-

এই মহামারীর সময়ে স্বাস্থ্যকর খাবারের গুরুত্ব কারও অজানা নয়। সাধারণত স্বাস্থ্যকর ডায়েটারগুলি সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা কমাতে সাহায্য করে। কারণ এই স্বাস্থ্যকর খাদ্য শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির যোগান দিয়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। 

মেডিকেল চেকআপ-

যারা অসুস্থ বা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন যেমন, সুগার, হার্টের সমস্যা, থাইরয়েড, ক্যান্সার ইত্যাদি তাদের নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। বেশ কয়েকদিন ধরে ক্রমবর্ধমান লকডাউনের প্রভাবে অনেকেই এই মেডিক্যাল চেকআপ বন্ধ রেখেছেন। যা বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই লকডাউন থাকলেও ফোনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সমস্ত বয়সের মানুষের সময়ে সময়ে চিকিত্সা করা উচিত, যাতে এই পরিস্থিতিতে সুস্থ থাকা যায়।

শারীরিক অনুশীলনের গুরুত্ব-

অনেক লোক আছেন যারা অনুশীলন মধ্যে নেই। লকডাউনের ফলে বাড়িতে অফিসের কাজ সারতে সারতে সময় চলে যাচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন বাড়িতে থাকার ফলে আর কোনও অনুশীলনেরও সুযোগ না পাওয়ার ফলে শরীরের অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই প্রতিদিন নিয়ম করেই সময় বের করুন। অন্তত ৩০ মিনিট শরীরচর্চা করা অত্যন্ত প্রয়োজন। 

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা-

লকডাউনের আগে আমাদের অনেকেরই বার বার হাত ধোওয়ার স্বভাব ছিল না। তবে এই ভাইরাস আমাদের এতদিনে বারবার হাত ধোওয়ার অভ্যাস তৈরি করে দিয়েছে। যার ফলে আপনার একটি স্বাস্থ্যকর স্বভাব গড়ে উঠেছে। অনেক কিশোর-কিশোরীরা অস্বীকার করলেও সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে খাওয়ার আগেও তারা মাঝে মাঝে হাত ধুতে ভুলে যেত। তবে করোনার প্রভাবের ফলে আমরা বেসিক হাইজিনের গুরুত্ব জানতে পেরেছি। 

চিন্তাভাবনা ইতিবাচক-

লকআউট চলাকালীন, অনেক সময় বাড়িতে থাকতে থাকতে আপনার বিরূপ ধারণা থাকতে পারে। তবে এটি আপনার ইতিবাচক চিন্তাভাবনায় প্রভাব ফেলতে পারে। সব সময় ভাবুন এর আগে কখন আপনি এতটা সময় বাড়ির সঙ্গে কাটিয়েছেন। বা ভবিষ্যতেও আর কখনও কাটাতে পারবেন কি না। এই চিন্তা ভাবনা আপনার শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে সহায়তা করবে।