শুধু শীতকালেই নয়, টমেটো এখন বারোমাসের সবজি। এতে থাকে অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট লাইকোপিন। এই লাইকোপিনে ভরপুর টমেটো ক্য়ানসার ও হার্টের অসুখ-সহ নানা রোগবিসুখের ঝুঁকি  কমায়।  ১০০ গ্রাম কাঁচা টমেটো থেকে ১৮ ক্য়ালোরি, ০.৯গ্রাম প্রোটিন, ৩.৯ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২.৬ গ্রাম সুগার, ১.২ গ্রাম ফাইবার, ০.২ গ্রাম ফ্য়াট আর ৯৫ শতাংশ জল থাকে।

টমেটোতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ খুব কম থাকে। কিন্তু যতটুকু থাকে, তার মধ্য়ে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজের মতো সিম্পল সুগার এবং ইনসলিউবেল ফাইবার থাকে। গড় মাপের একটি টমেটোতে ১.৫ গ্রাম হেমিসেলুলোজ, সেলুলোজের মতো ইনসলিউবেল ফাইবার থাকে। টমেটো কিন্তু ভিটামিন-সি-র দারুণ উৎস। এতে থাকে পটাশিয়াম, যা আমাদের ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে আর হার্টের রোগবিসুখ দূরে রাখতে সাহায্য় করে। টমেটোতে থাকে ভিটামিন-কে-১, যা রক্তজমাট বাঁধা ও হাড়ের স্বাস্থ্য় রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা  নেয়। টমেটোতে থাকে ভিটামিন-বি-৯ বা ফোলেট। এটি আমাদের টিস্য়ুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও কোষের কার্যক্ষমতার ওপর  বিশেষ প্রভাব ফেলে। এতে থাকে অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট লালরঞ্জক লাইকোপিন, যা আমাদের স্বাস্থ্য়ের পক্ষে খুব উপকারী। থাকে অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট বিটা ক্য়ারোটিনও। যা আমাদের শরীরে ভিটামিন-এ হিসেবে কাজ করে। টমেটোর ত্বকে থাকে ন্য়ারিনজেনিন ফ্ল্য়াবনয়েড।  যা প্রদাহ কমাতে ও বিভিন্ন অসুখবিসুখে সুরক্ষার কাজ করে। টমেটোতে থাকে অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট ক্লোরোজেনিক অ্য়াসিড। যা আমাদের রক্তচাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। হার্ট অ্য়াটাক বা স্ট্রোক থেকে দূরে থাকতে নিয়মিত টমেটো খাওয়া উচিত বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। ত্বকের স্বাস্থ্য় রক্ষায় কার্যকরী ভূমিকা নেয় টমেটো। রোদ থেকে ত্বকের  পুড়ে যাওয়ার সুরক্ষায় কাজে দেয় টমেটো। এছাড়া, ব্রেস্ট ক্য়ানসার-সহ কিছুকিছু ক্য়ানসারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য় করে টমেটো।