- Home
- Lifestyle
- Travel
- চিরস্মরণীয় করে রাখতে চান বছরের সেরা সূর্যোদয়ের ছবি? ঘুরে আসতে পারেন ভারতের এই জায়গাগুলি থেকে
চিরস্মরণীয় করে রাখতে চান বছরের সেরা সূর্যোদয়ের ছবি? ঘুরে আসতে পারেন ভারতের এই জায়গাগুলি থেকে
India Popular Travel Spot: ঘুরতে যেতে কে-না ভালোবাসে বলুন তো? সে পাহাড় হোক কিংবা সমুদ্র। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে নিজেকে হারাতে সকলেই চাই। আর এই ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে আপনি যদি চাক্ষুস করতে চান সেরা সূর্যোদয়ের ছবি। তাহলে ঘুরে আসতে পারেন ভারতের এই জায়গা।

ভারতের সেরা সূর্যোদয় দেখার জায়গা
ঘুমন্ত প্রকৃতি আর জাগ্রত প্রকৃতি। দুইয়েরই রয়েছে আলাদা আলাদা অপরূপ সৌন্দর্য। রূপের মাধুর্যে কেউ কারও থেকে কম যায় না। সেই রূপের মাধুর্যের মধ্যে যেমন রয়েছে অস্তমিত সূর্যের সৌন্দর্য। তেমনই সকালের প্রথম রবি কিরণের আলোকউজ্জ্বল শোভা। কিন্ত প্রচুর জায়গা বেড়াতে গিয়েও মন ভরে সূর্যোদয় দেখে উঠতে পারেননি? তাহলে এবার নতুন বছরে প্রিয়জনের সঙ্গে নতুন সূর্যোদয় দেখতে চাইলে আপনার গন্তব্য হতে হবে মুন্সিয়ারি, কন্যাকুমারী ও নুব্রা ভ্যালি। ভারতের এই তিন জায়গা। কোথায় কীভাবে যাবেন? রইল বিস্তারিত বিবরণ। পড়ুন বিশদে।
মুন্সিয়ারি
মুন্সিয়ারি (Munsiyari) হল উত্তরাখণ্ডের পিতোরাগড় জেলার একটি মনোরম হিল স্টেশন, যা পঞ্চচুলি শৃঙ্গের অসাধারণ দৃশ্য, ট্রেকিং, বার্ফি জলপ্রপাত, খালিয়া টপ, ডারকোট গ্রাম ও ট্রাইবাল মিউজিয়াম-এর জন্য বিখ্যাত। মার্চ থেকে জুন এবং অক্টোবর মাস ভ্রমণের সেরা সময়। আপনার যদি এবছর গন্তব্য থাকে উত্তরাখণ্ড। তাহলে ঘুরে আসতে পারেন পঞ্চচুল্লি থেকে। এর রূপ ধরা পড়ে সূর্যোদয়ের সময়। মেঘমুক্ত দিনে তা দৃশ্যমান হয়। রবিকিরণ এক এক করে এসে পড়ে বরফাবৃত শৃঙ্গে। এক লহমায় দেখলে মনে হয়, পাঁচ শৃঙ্গে যেন আগুন জ্বলছে! নৈনিতাল ভ্রমণের সঙ্গেই জুড়ে নিতে পারেন আলমোড়া, কৌশানি, মুন্সিয়ারি। ফলে একসঙ্গে অনেকগুলি জায়গা ভ্রমণ হয়ে যাবে। সেইমতো পরিকল্পনা করে ঘর থেকে পা বাড়ান।
কীভাবে যাবেন?
আপনার বাড়ির নিকটবর্তী স্টেশন যদি হাওড়া হয় তাহলে হাওড়া স্টেশন থেকে বাঘ এক্সপ্রেস ধরে কাঠগোদাম। কাঠগোদাম থেকে মুন্সিয়ারির দূরত্ব প্রায় ২৭৫ কিলোমিটার। একদিনে মুন্সিয়ারি যাওয়া বেশ ক্লান্তিকর হতে পারে (১০-১২ ঘণ্টা সময় লাগে)।
কন্যাকুমারী
কাশ্মীর টু কন্যাকুমারী! নাম অনেকেই শুনেছেন কিন্তু যাওয়া আর হয়নি। তাহলে এই শীতে ঘুরে আসতে পারেন কন্যাকুমারী থেকে। ভারতের একেবারে শেষ সীমানা থেকে। যার ভৌগলিক অবস্থান ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম বিন্দুতে। প্রাচীন মন্দির ও সমুদ্রে ঘেরা এই স্থানে নৌকা চেপে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ পার করে পৌঁছোনো যায় বিবেকানন্দ রকে। সেখানেই রয়েছে ধ্যান মণ্ডপ, মন্দির। এই স্থানে দাঁড়িয়ে বঙ্গোপসাগর, ভারত মহাসাগর এবং আরব সাগরের মিলনস্থল দেখার অনুভূতি ভাষাতীত। কন্যাকুমারী থেকে সূর্যোদয় দেখার অভিজ্ঞতা চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
কীভাবে যাবেন?
আপনার বাড়ি যদি পশ্চিমবঙ্গে হয় তাহলে কলকাতা থেকে ট্রেনে সরাসরি কন্যাকুমারী পৌঁছনো যায়। বিমানে যেতে চাইলে দিল্লি বা চেন্নাই হয়ে যেতে হবে তামিলনাড়ুর তিরুঅনন্তপুরম। সেখান থেকে সড়কপথে কন্যাকুমারী পৌঁছনো যাবে সহজেই। তাহলে আর দেরী কেন? এই শীতে ঘুরে আসুন ভারতের এই প্রাচীন জেলা থেকে। এছাড়াও যেতে পারেন লাদাখের নুব্রা ভ্যালি। এখানে নানা প্রান্ত থেকে সূর্যোদয়ের অপূর্ব রূপ প্রত্যক্ষ করা যায়। তারই মধ্যে একটি জায়গা হল হুন্ডার বালিয়াড়ি। এটি শীতল মরুভূমি। সূর্য ওঠার প্রাক মুহূর্তেই আকাশে হালকা রঙের ছটা এসে লাগে। যা এককথায় মোহময়ী।

