Tourism: আপনি যদি প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে চান তাহলে ঘুরে আসুন মাহালদিরামে। যেখানে গেলে আপনি প্রাকৃতিক পরিবেশ প্রাণ ভরে উপভোগ করতে পারবেন। এই প্রতিবেদনে তেমনই এক শান্ত-নিরিবিলি পাহাড়ি গ্রামের সন্ধান রইল।
West Bengal Tourism: শহরের ব্যস্ততা ও কোলাহল থেকে দূরে, প্রকৃতির শান্ত কোলে সময় কাটাতে দার্জিলিং জেলার কার্শিয়াংয়ের কাছে মাহালদিরাম (বা মালদিরাম) এক অসাধারণ অফবিট গন্তব্য। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই গ্রামটি চা বাগান, মেঘের আনাগোনা এবং কাঞ্চনজঙ্ঘার অপূর্ব দৃশ্য উপহার দেয়। মহানন্দা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের অভ্যন্তরে অবস্থিত হওয়ায় এখানে প্রচুর সবুজের সমাহার এবং শান্ত পরিবেশ উপভোগ করা যায়।
মাহালদিরাম ভ্রমণের বিস্তারিত তথ্য:
- দর্শনীয় স্থান ও প্রকৃতি: ঘন সবুজ চা বাগান (মালদিরাম টি এস্টেট), সুগন্ধি কমলালেবুর বাগান এবং পাহাড়ের ঢাল বেয়ে মেঘের খেলা—এটাই মাহালদিরামের প্রধান আকর্ষণ। এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপ ভোরে বা বিকেলের আলোয় মুগ্ধ করে।
কেন যাবেন?
- কোলাহলমুক্ত পরিবেশ: খুব কম পর্যটকের আনাগোনা, ফলে নিরিবিলি সময় কাটানো যায়।
- প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য: ট্রেকিং, চা বাগানে হাঁটা এবং ফোটোগ্রাফির জন্য চমৎকার।
- মেঘের সঙ্গে বসবাস: প্রায় সারাবছরই এখানে হালকা মেঘের আনাগোনা থাকে।
কখন যাবেন?
বর্ষাকাল বাদে বছরের যে কোনও সময়ই যাওয়া যায়। তবে অক্টোবর থেকে মার্চ মাস সবচেয়ে ভালো সময়। বর্ষাকালেও যাওয়া যায়। সেই সময় ঘন মেঘের ফলে প্রকৃতির সৌন্দর্য অন্যরকম থাকে। যাঁরা উত্তরবঙ্গে বেড়াতে যান, তাঁদের মধ্যে অনেকেই মেঘ-কুয়াশা উপভোগ করতে চান। তাঁদের বর্ষার পাহাড় ভালো লাগবে।
কীভাবে পৌঁছবেন?
- ট্রেন/বিমান: শিলিগুড়ি বা নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) স্টেশন অথবা বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে কার্শিয়াং হয়ে মাহালদিরাম যাওয়া যায়।
- রাস্তা: কার্শিয়াং থেকে দূরত্ব খুব বেশি নয়, তবে শেষ ৭ কিলোমিটার রাস্তা কিছুটা দুর্গম হতে পারে।
- থাকার ব্যবস্থা: এখানে মূলত হোমস্টে-র ব্যবস্থা আছে, যেখানে স্থানীয় সংস্কৃতি ও খাবারের স্বাদ পাওয়া যায়।
যান্ত্রিক জীবন থেকে মুক্তি পেতে এবং মেঘের চাদরে ঢাকা স্বপ্নের গ্রামে দু-তিন দিন কাটাতে মাহালদিরাম একটি আদর্শ স্থান। পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে কয়েকদিনের জন্য ঘুরে আসতে পারেন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


