Travel Tips: ভুবনেশ্বর শহরে গিয়েছেন, ঘুরেছেন মন্দিরগুলি? চেনা ছকের বাইরে এই শহর থেকে আশপাশে ঘোরার অনেক ঠিকানা আছে। তালিকায় রাখুন এমন তিন স্বল্প পরিচিত জায়গা।
Travel Tips: নতুন বছরে পুরীর ভিড় এড়িয়ে ভুবনেশ্বরের আশেপাশে কিছু অচেনা ও দারুণ জায়গা ঘুরে আসতে পারেন। যেমন ভুবনেশ্বর থেকে প্রায় ৩৭ কিমি দূরে অবস্থিত পরিত্যক্ত খনি এলাকা তাপাং (Tapang), যা এখন সুন্দর নীল জলের হ্রদে পরিণত হয়েছে।এছাড়াও ধৌলি শান্তি স্তূপ, নারায়ণী মন্দির (Narayani Temple) ও তার সংলগ্ন গুহা, এবং দয়া নদীর তীরে সূর্যাস্ত উপভোগ করা যেতে পারে, যা মন্দিরনগরী ভুবনেশ্বরের অপ্রচলিত কিন্তু মনোমুগ্ধকর দিক তুলে ধরে। এখানে ভুবনেশ্বরের তিনটি অচেনা কিন্তু আকর্ষণীয় স্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. তাপাং (Tapang):
• ভুবনেশ্বর থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই স্থানটি মূলত একটি পরিত্যক্ত বক্সাইট খনির এলাকা ছিল। সময়ের সাথে সাথে, খনির গভীর খাদগুলোতে জল জমে এক অসাধারণ নীল হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে, যা দেখতে অনেকটা বিদেশি কোনো জায়গার মতো। * কেন যাবেন: এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের কাছে এখনো ততটা পরিচিত নয়। নিরিবিলি পরিবেশে যারা প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে চান, তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ জায়গা। নতুন বছরের শুরুতে ভিড় এড়িয়ে শান্ত পরিবেশে ছবি তোলার জন্য এটি দারুণ। * কীভাবে যাবেন: ভুবনেশ্বর থেকে নিজস্ব গাড়ি বা স্থানীয় ক্যাব ভাড়া করে যাওয়া সুবিধাজনক।
২. ধৌলি শান্তি স্তূপ ও নারায়ণী মন্দির (Dhauli Shanti Stupa & Narayani Temple):
* ভুবনেশ্বরের খুব কাছেই দয়াল নদীর তীরে অবস্থিত এই সাদা রঙের স্তূপটি শান্তি ও বৌদ্ধ ধর্মের প্রতীক। এর পাশেই রয়েছে নারায়ণী মন্দির, যা দেবী দুর্গার একটি রূপ। এখান থেকে দয়াল নদীর ওপর সূর্যাস্ত দেখা এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। * কেন যাবেন: ইতিহাস, ধর্ম এবং প্রকৃতির মেলবন্ধন দেখতে চাইলে এই স্থানটি আদর্শ। স্তূপের শান্তি ও চারপাশের দৃশ্য মনকে মুগ্ধ করে। সূর্যাস্তের সময় এখানকার পরিবেশ খুবই মনোরম থাকে, যা পুরীর সৈকতের ভিড় থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতা দেবে। * কীভাবে যাবেন: ভুবনেশ্বর শহর থেকে খুব কাছে হওয়ায় অটো বা ক্যাবে সহজেই যাওয়া যায়।
৩. দয়াল নদীর তীরে সূর্যাস্ত ও শান্ত পরিবেশ (Sunset by the Daya River):
* ধৌলি শান্তি স্তূপের পাশেই দয়াল নদীর তীরবর্তী এলাকাটি সন্ধ্যায় শান্ত ও মনোরম থাকে। পর্যটকদের ভিড় এখানে অনেক কম থাকে, যা আপনাকে একান্তে সূর্যাস্ত উপভোগ করার সুযোগ করে দেয়। * কেন যাবেন: নতুন বছরে নিরিবিলি সন্ধ্যায় প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে এই স্থানটি অসাধারণ। এখানে স্থানীয় জীবনযাত্রা ও শান্ত পরিবেশ আপনাকে অন্যরকম শান্তি এনে দেবে। * কীভাবে যাবেন: ধৌলি যাওয়ার পথে বা সেখান থেকে ফিরে আসার সময় এই স্থানটিতে কিছু সময় কাটাতে পারেন।
ভুবনেশ্বর শহরটি নিজেই মন্দির ও সংস্কৃতির এক কেন্দ্র, কিন্তু এই অচেনা জায়গাগুলো আপনাকে দেবে এক ভিন্ন স্বাদ ও নতুন বছরের শুরুতে এক শান্ত ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

