আপনার সন্তান যতদিন যাচ্ছে খিটখিটে স্বভাবের হয়ে যাচ্ছে। কোনওকিছুই যেন তার ভাল লাগছে না। কিছু খেতে দিলে খাচ্ছে না। সবসময় বায়না করছে। যেটা দরকার সেটা না হলে অন্য কিছুই নিতে চাইছে না।  কোনও কিছু ভাল না লাগলে আপনাদের  উপর চিৎকার করছে। পড়াশোনাতেও মন নেই। স্কুলে সবার থেকে পিছিয়ে পড়ছে। এই ধরনের  জিনিসগুলি দেখলেই এখনি সাবধান। কারণ আপনার অজান্তেই মানসিক রোগের শিকার হচ্ছে না তো আপনার সন্তান।

আরওপড়ুন-বদহজম থেকে ক্যানসার প্রতিরোধ সবেতেই কার্যকরী আতা, জানুন এর গুনাগুণ...

এখনকার দিনে খুব ছোট বয়সের শিশুদের ভয়াবহ আকার  নিচ্ছে এই মানসিক রোগ। আপনি বুঝে উঠতেও পারবেন না, কীসের জন্য এইরকম করছে আপনার সন্তান। তাই এই ধরনের কোনও লক্ষণ দেখলেই সবার আগে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যায়। কারণ ৫-৬ বছরের বাচ্চাদের মধ্যে ডিপ্রেশন হু হু করে বাড়ছে। আগে দেশের বড় বড় শহরগুলিতে এই প্রবণতা অনেক বেশি ছিল। কিন্তু বর্তমানে দেশের প্রায় সব শহরগুলোতেই  এই রোগ ক্রমশ বাড়ছে। শুধু ডিপ্রেশনই নয়, এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা।

আরও পড়ুন-জলের মধ্যেই রয়েছে ওজন কমানোর ফান্ডা, জানুন কীভাবে...

স্কুলে পড়াশোনার চাপ, বাড়িতে মা-বাবার চাপ, ভাল রেজাল্টের চাপ, একাকীত্ব  এই সবকিছুই নষ্ট করছে বাচ্চাদের শৈশব। যার ফলে জাকিয়ে বসছে ডিপ্রেশন। এর পাশাপাশি স্মার্ট ফোনের দৌলতে হাতের মুঠোয় চলে আসছে বড়দের জগত। আর এই স্মার্টফোনের আসক্তি কেড়ে নিচ্ছে শৈশব। এ তো গেল বাচ্চাদের কথা। বাচ্চারা একটু বড় হতে না হতেই খাওয়ানার জন্য, কান্না থামানোর জন্য স্মার্টফোনের চেয়ে সহজ উপায় আর কিছু হয় না। সেই সহজ উপায়ই যে কত বড় ক্ষতি করছে , সেটা বুঝতে বুঝতেই ডিপ্রেশনের শিকার হচ্ছে আপনার বাচ্চাটি। সুতরাং অনেকটা দেরি হয়ে গেছে। বাচ্চার শৈশব ঠিক রাখতে স্মার্টফোন থেকে শতহস্ত দূরে থাকুন। বাচ্চাকে যতটা পারবেন সময় দিন। ওর ভাললাগা  খারাপলাগা গুলোকে বুঝে বন্ধুর মতো মোশার চেষ্টা করুন।