ভোট চতুর্থী শেষ হতে চলেছে। এরই মধ্যে জোর ঝাঁকুনি তৃণমূলের অন্দরে। অন্তত দলের আভ্যন্তরীন বডি ল্যাঙ্গুয়েজ তাই বলছে। ভোটপর্ব না মিটতেই নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিল তৃণমূল। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে কাজ করছে।

এদিন চতুর্থ দফার নির্বাচনে আটটি আসনের সাতটিই দক্ষিণবঙ্গে। কড়া রোদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভোট দিচ্ছে সাধারণ মানুষ। এদিনের ভোটগ্রহণ যেমন তৃণমূল বা বিজেপির কাছে অগ্নিপরীক্ষা তেমনই কমিশনের কাছেও চ্যালেঞ্জিং। কারণ এদিনের ভোটে অংশগ্রহণ করছেন অনুব্রতর মতো হাই ভোল্টেজ প্রার্থীরা। ধুন্ধুমার লড়াই আসানসোলেও। তাই কোমর বেঁধেই নেমেছিল কমিশন। কিন্তু তৃণমূলের চিঠি বুঝিয়ে দিচ্ছে কমিশনের সক্রিয়তায় তাঁরা তুষ্ঠ নয়।

</p> <blockquote class="twitter-tweet" data-lang="en"><p lang="en" dir="ltr">TMC in a letter to EC over alleged &quot;Illegal action of central forces &amp; violation of MCC by BJP candidates&quot; in West Bengal: There were various instances where on instructions of BJP leaders, Central Forces acted in a manner which is not conducive to free &amp; fair elections in WB. <a href="https://t.co/aixme1SjJd">pic.twitter.com/aixme1SjJd</a></p>&mdash; ANI (@ANI) <a href="https://twitter.com/ANI/status/1122788700549566465?ref_src=twsrc%5Etfw">April 29, 2019</a></blockquote>
<script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script> </p>
 

এদিন শুরু থেকেই নানা সংঘর্ষের খবর আসতে শুরু করে। বেলা গড়াতে বাড়তে শুরু করে হিংসা। বহরমপুরে অধীর বাহিনীর বিরুদ্ধে ছাপ্পার অভিযোগ, নলহাটিকে বিজেপি-তৃণমূল ব্যাপক সংঘর্ষ ইত্যাদি নানা খবর সংবাদমাধ্যমের মধ্যে দিয়ে দেখতে পেয়েছে রাজ্যবাসী। দেখা গিয়েছে বিজেপি প্রার্থী দুধকুমার মণ্ডল মোবাইল কানে ঢুকে যাচ্ছেন। এইসব খণ্ড খণ্ড অশান্তির মধ্যেই নাটক চরমে পৌঁছয় যখন দেখা যায় নজরবন্দী অনুব্রতর নিচুপট্টির বাড়িতে খাওয়াদাওয়া সারছে অনুপম হাজরা।

এরই মধ্যে খবর আসে বুথে মোবাইল রাখা ঘিরে ব্যাপক সংঘর্ষ দুবরাজপুরে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্য । পরিস্থিতি নাগালের বাইরে যেতে শূন্যে গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জাওয়ান।


এই ঘটনাকেই সুনজরে দেখে নি তৃণমূল। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সক্রিয়তায় পক্ষপাতের গন্ধ পাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিম। দলের তরফ থেকে দায়ের করা চিঠিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, " নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনকরে বিজেপি প্রতিনিধির হয়ে কাজ করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।  যদিও  স্বচ্ছ নির্বাচন সুনিশ্চিত করাই তাদের আশু কর্তব্য, কিন্তু বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে তাঁরা তা করছে না। "


কমিশনের তরফে অবশ্য আত্মরক্ষার্থে গুলি চালিয়েছে বাহিনী এমন যুক্তি দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর থেকে ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।