বুধবার সকাল থেকেই পশ্চিম মেদিনীপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ন এলাকায় নেমে পড়েছিল লাল পাতাক হাতে বাম নেতা কর্মীরা ৷ কলেজ ও অফিস গুলিতে সকাল থেকেই প্রবেশ পথে পতাকা লাগিয়ে বনধ এর ডাক দেয় তারা ৷ পরে পুলিশ গিয়ে প্রতিটি স্থানে খুলেছে ৷ তা করতে গিয়ে দফায়. দফায় ধ্বস্তা ধ্বস্তি হয়েছে পুলিশের সাথে বনধ সমর্থকদের ৷ জেলা জুড়ে বহু বাম নেতা কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ ৷ 
 
 খড়্গপুর শিল্প তালুকে টাটাহিটাচি, টাটা মেটালিকস, রেশমি মেটালিকস এর গেটে পতাকা লাগিয়ে বামকর্মী ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বন্ধ রাখতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ৷ বন্ধ থাকা কারখানা গুলি চালু করতে গিয়ে পুলিশকে বেগ পেতে হয়েছে ৷ বহুস্থানেই রাস্তায় শুয়ে প্রবেশের রাস্তা পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করে সিটুর নেতা কর্মীরা ৷ পুলিশ সিটু নেতা বিপ্লব অট্ট সহ ১৫ জন নেতা কর্মীকে আটক করেছে খড়্গপুর থেকে ৷ 
 
ঘাটালে রাস্তায় মিছিল নিয়ে বেরিয়ে মনসুকা এলাকায় একটি বেসরকারি বাসকে ভেঙ্গে দেয় বনধ সমর্থকরা ৷ রাস্তায় যাত্রী নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল ৷ এরপর বেসরকারি কোনো বাস বের হয় নি মেদিনীপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ৷ তবে সরকারি কয়েকটি বাসকে স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করতে দেখা গিয়েছে ৷ বনধ সমর্থকরা  মেদিনীপুর বাসস্ট্যান্ডে সেগুলিকে আটকানোর চেষ্টা করলেও পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয় ৷  তবে যাত্রী তেমন পায় নি বাসগুলি রাস্তায় বের হলেও ৷ দোকান পাট জেলা জুড়ে চিল বেসিরভাগই বন্ধ ৷ বামেদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বনধ অবরোদে সামিল হয়েছিল কংগ্রেসও৷
এই বনধকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ৷ দলীয় নেতার বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় জেলার নারায়ণগড়ের পাহাড়পুরে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ।এদিন আক্রান্ত কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে এলাকার তৃণমূল নেতা এবং কর্মীদের সাবধান করে দিয়ে যান। তিনি বলেন, -দুর্নীতির হিসাব চাইতে গেলে প্রহৃত হচ্ছে আমাদের নেতা কর্মীরা। দ্বিতীয় বার এই ধরনের ঘটনা ঘটলে তাদের এলাকাছাড়া হতে হবে, নয়তো হাসপাতালে থাকতে হবে।  বনধ এর বিষয়ে বলেন- বামেরা হতাশ হয়ে এই বনধে নেমেছে।হতাশ হয়ে খবরে আসার চেষ্টা করছে ৷ এই বনধ এ মানুষের সমর্থন নেই ৷ কেবল দলের অস্তিত্ত্ব বাঁচাতে এই বনধ ৷রাজ্যের মানুষ আগেই এই বনধ কালচারকে বিসর্জন দিয়ে দিয়েছে ৷