শাজাহান আলি, পশ্চিম মেদিনীপুর-লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পুজোর শেষ হতেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা। এই অবস্থায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় নয়া চিন্তা ভাবনা শুরু করেছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর।এবার থেকে হাতুড়ে চিকিৎসক ও আশাকর্মীদের কাজে লাগানোর চিন্তাভাবনা শুরু করেছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর।

আরও পড়ুন-করোনা গুজবে বেঘোরে মৃত্যু বৃদ্ধের, সৎকারে এগিয়ে এল না কেউ, শেষকৃত্য সম্পন্ন করলেন মুসলিমরা

মঙ্গলবার মুখ্যসচিবের সঙ্গে জেলাস্তরের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়। ভিডিও কনফারেন্সের বৈঠকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নভেম্বরের শুরু থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া শুরু হবে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাতুড়ে চিকিৎসক ও আশাকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেবে জেলা স্বাস্থ্য দফতর। তারপরই, মাঠে নেমে কাজ করবেন হাতুড়ে চিকিৎসক ও আশা কর্মীরা।

আরও পড়ুন-অমানবিক স্কুল শিক্ষক, বাড়ির বারান্দায় বিশ্রামরত ভ্য়ান চালককে পিটিয়ে খুন

এদিনের বৈঠকে পশ্চিম মেদিনীপুর করোনা হাসপাতাল গুলির পরিকাঠামো পর্যালোচনার পাশাপাশি, গ্রামীণ হাতুড়ে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিমাই চন্দ্র মণ্ডল বলেন, হাতুড়ে চিকিৎসকদের অনেক সংগঠন রয়েছে। তাঁদের সঙ্গে ভাঁচুয়ালে বৈঠক করার চিন্তাভাবনা চলছে। কীভাবে তাঁরা করোনা রোগীর চিকিৎসকা করবেন? কতদিন বাড়িতে রাখা যাবে? রোগীকে বাড়িতে রাখার জন্য কীকী পন্থা অবলম্বন করা হবে তা সবই বলা হবে হাতুড়ে চিকিৎসকদের।