শাহজাহান আলি, মেদিনীপুর: করোনাতে আক্রান্ত এক প্রসূতিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার ক্ষীরপাই হাসপাতাল থেকে রেফার করা হয়েছিল মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালের সামনে পিপিই কিট পরা প্রসূতি ও তার মা-কে  বসে থাকতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে অন্যান্য রোগীর পরিবার । প্রায় এক ঘন্টা পর যা সামাল দেয় হাসপাতালের আধিকারিকরা।

বিজেপির মহিলা কর্মীকে গুলি, মমতাকে সরাসরি আক্রমণ দিলীপের.

চন্দ্রকোনা টাউন থানার অন্তর্গত ক্ষীরপাই হাসপাতালে বছর একুশের এক প্রসূতির করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে।  সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ সেখান থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাতৃমা বিভাগের সামনে বসিয়ে চলে যায় অ্যাম্বুল্যান্স চালক। প্রসূতি বিভাগের সামনে বাইরে পিপিই  পরে বসে থাকা রোগিনীকে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অন্যান্য রোগীর লোকজন। মেদিনীপুর হাসপাতালের প্রসূতি ওই বিভাগে ষাট জনের বেশি প্রসূতি ভর্তি রয়েছেন। তাদের পরিবারের লোকেরা বাইরেই তখন অপেক্ষা করছিলেন। মাতৃমা ভবনের প্রবেশ মুখে ওইভাবে পিপিই  পরা দুই মহিলাকে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সকলেই। ক্ষুব্দ হয়ে যান অনেকেই। 

'বিজেপি করার অপরাধে' বিষ্ণুপুরে গুলিবিদ্ধ মহিলা কর্মী,কাঠগড়ায় তৃণমূল

ওই অবস্থাতেই হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হলেও প্রায় এক ঘণ্টা বসে থাকতে হয় ওই করোনা আক্রান্ত প্রসূতি ও তার মা-কে। হাসপাতালে আধিকারিকরা জানান-ওই প্রসূতির প্রয়োজনীয় রিপোর্টগুলি সময়ে না পৌঁছানোর কারণে এই সমস্যা হয়েছিল।রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেয়ে দ্রুত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের শালবনি করণা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। প্রসূতির মা জানান-বিভিন্ন কারণে এক ঘণ্টা বসে থাকতে হয়েছিল ওয়ার্ডের বাইরে। ক্ষীরপাই হাসপাতালে করোনা পজিটিভ হওয়ার কারণে এখানে পাঠানো হয়েছিল।

"