সাবধান করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি শোনেননি। পশ্চিম মেদিনীপুরে আদিবাসী মহিলাকে পিটিয়ে মেরে ফেলার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতেরা অপরাধ স্বীকারও করেছে বলে জানা দিয়েছে।

আরও পড়ুন: যুবকের মৃত্যুতে রহস্য, আড়াই বছর পর কবর খুঁড়ে দেহ তুলল পুলিশ

মৃতার নাম মালতি মুর্ম। পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘুচিশোল গ্রামে থাকতেন বছর আটচল্লিশের ওই গৃহবধূ। পাশের গ্রামের বাসিন্দা সনাতন হাঁসদা নামে এক যুবকের সঙ্গে বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্ক ছিল মালতি-র। তাঁদের সম্পর্কের কথা গ্রামের সকলেই জানতেন। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে খোলা মাঠে তাঁদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন গ্রামের কয়েকজন যুবক। ব্যস আর যায় কোথায়! অভিযোগ, মালতি ও তাঁর প্রেমিককে রীতিমতো লাঠি দিয়ে মারতে মারতে গ্রামে নিয়ে আসা হয়। গ্রামে আনার পরেও চলে মারধর। এরপর অভিযুক্তের যে যার বাড়িতে চলে যায়। গভীর রাতে মারা যান মালতী, গুরুতর আহত সনাতনকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় শালবনী হাসপাতালে। 

আরও পড়ুন: জঙ্গল থেকে ক্ষেত, খাবার নেই কোথাও, লোকালয়ে হাতির আতঙ্ক

ঘটনার দু'দিন পর শনিবার রাতে হামলাকারী তিন যুবককে গ্রেফতার করে স্থানীয় আনন্দপুর থানার পুলিশ।  ধৃতেরা হল বচন মুর্মু সুকুমার মুর্মু ও অলক মুর্মু। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় ওই তিনজন জানিয়েছেন, বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্কের জন্য় মালতিকে সাবধান করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও যখন কাজ হল না, তখন জরিমানা করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ওই গৃহবধূ ও তাঁর প্রেমিককে মারধর করে তারা।