Asianet News BanglaAsianet News Bangla

কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বার বার ফেল, অধ্যাপকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে

  • অধ্যাপকের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ফেল
  • এমনই গুরুতর অভিযোগে শুরু বিক্ষোভ
  •  বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু ছাত্র বিক্ষোভ
  • তদন্ত কমিটি বসালো বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ
Student alleges indecent proposal given by professor in Vidyasagar University
Author
Kolkata, First Published Feb 26, 2020, 8:49 AM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

অধ্যাপকের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রতিটি সেমিস্টারেই ফেল করানো হচ্ছে অধ্যাপকের পেপারে। এমনই আভিযোগ তুলে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও পদার্থবিদ্যা বিভাগের সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়ল ছাত্রছাত্রীরা। আভিযোগ পাওয়ার পরেই বিষয়টি তদন্ত কমিটি বসালো বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। 

কেটে গেল জট, ১ মার্চ শহিদ মিনারে সভা অমিত শাহের
 
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষর কাছে করা লিখিত আভিযোগ জানিয়ে পদার্থ বিদ্যায় এম.এস.সির শেষ বর্ষের ওই ছাত্রী জানিয়েছেন, ওই অধ্যাপকের কু-প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায়  কী'ভাবে প্রতিটি সেমিস্টারে তাকে ফেল করানো হয়েছে।এবং প্রতিবারই তাঁকে দু'মাস পর সাপ্লিমেন্ট পরীক্ষা দিয়ে উর্ত্তীর্ণ হতে হয়েছে। এরপরও সেই একই ঘটনা ঘটায় খড়গপুর শহরের বাসিন্দা ওই ছাত্রী বাধ্য হন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে আভিযোগ করতে। 

মোদীর ইচ্ছায় 'বাগড়া মমতার', টাকা থেকে বঞ্চিত ১০ লক্ষ কৃষক

আভিযোগ পদার্থ বিভাগের অভিযুক্ত ওই অধ্যাপক পরেশ চন্দ্র জানার বিরুদ্ধে  চতুর্থ সেমিস্টারের  ছাত্রীর অভিযোগ যে, ওই অধ্যাপক তাঁকে হুমকি দিয়ে বলেছিল তার কু-প্রস্তাবে রাজি না হলে ফেল করিয়ে দেওয়া হবে। যথারীতি ফল বেরোনোর পর দেখা যায় ওই স্যারের পেপারে সাপ্লি পেয়েছে। প্রথমে ছাত্রীটি ভয়ে মুখ খুলতে না পারলেও পরে ক্লাসের বন্ধুদের কাছে সমস্ত বিষয়টি রাখে। তারপর বন্ধুরা মিলে প্রথমে বিভাগীয় প্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের  কাছে অভিযোগ দাখিল করে। এরপর পদার্থ বিদ্যা বিভাগের অভ্যন্তরে  ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলন সামিল হয়।

মেয়াদ ফুরোচ্ছে বাংলার ৫ সাংসদের, ২৬ মার্চ রাজ্যসভার ভোট

এরই পাশাপাশি মঙ্গলবার প্রশাসনিক ভবনের  সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু হয়। একে একে  অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হয় মাইক্রোবায়োলজি,ইলেকট্রনিক্স সহ বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের ছাত্রছাত্রীরা। তাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্ত শিক্ষককে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রঞ্জন চক্রবর্ত্তী বলেন, 'আভিযোগ পাওয়া মাত্রই বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীন আভিযোগ সংক্রান্ত কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। সেই কমিটি ইতিমধ্যেই ওই অধ্যাপককে নিয়ে বসেছে। আমরা রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছি।'' উল্লেখ্য ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে যৌন নির্যাতন সহ বিভিন্ন আভিযোগ খতিয়ে দেখাই এই কমিটির কাজ। 

ছাত্রছাত্রীদের আভিযোগ, মাত্র চারমাসের মধ্যে বিদ্যাসাগরের বিশ্ববিদ্যালয়ে এটি দ্বিতীয় ঘটনা বলেই জানা গেছে। গত নভেম্বর মাসে মাইক্রোবায়োলজি ডিপার্টমেন্টের এক ছাত্রী শ্লীলতাহানীর অভিযোগ তুলেছিল ওই ডিপার্টমেন্টের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এই নিয়ে জল গড়িয়ে ছিল অনেক দূর, ছাত্র আন্দোলনের চাপে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছিল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ওই কমিটি কতটা তদন্ত করেছে সেটা আজ প্রশ্ন চিহ্নের সামনে। চারমাসের মধ্যে আবারও একই ঘটনা পুনরাবৃত্তি ঘটল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে। 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios