বিতর্কে জল।  হাইকোর্ট পর্যন্ত  গেল না শহিদ মিনারে অমিত শাহের মিছিলের  মামলা। তার আগেই কলকাতা পুলিশের তরফে মিলল অনুমতি।  ১ মার্চ কলকাতায় সভা করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির সেকেন্ড ইন কমান্ড অমিত শাহ।  

মোদীর ইচ্ছায় 'বাগড়া মমতার', টাকা থেকে বঞ্চিত ১০ লক্ষ কৃষক

গত ২০ ফেব্রুয়ারি শহিদ মিনারে নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে সভার অনুমতির আবেদন করেছিল বিজেপি। নিয়ম মেনে আর্মির ইস্টার্ন কম্যান্ডকে চিঠি লিখে নির্দিষ্ট জায়গায় সভার অনুমতি চাওয়া হয়। বিজেপির তরফে হুমকি দিয়ে বলা হয়, শহিদ মিনারে কলকাতা পুলিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভা আটকালে আদালতে যাবেন  তাঁরা। ইস্টার্ন কমান্ড অনুমতি দিলে কলকাটা পুলিশের তরফে বিজেপির পরিচালনা কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে জানিয়ে দেওয়া হয়, সোমবার সভা করা যাবে।

মেয়াদ ফুরোচ্ছে বাংলার ৫ সাংসদের, ২৬ মার্চ রাজ্যসভার ভোট

তবে সভা করা গেলেও কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী যারা অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন তাঁদের মাইক্রোফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ রাখতে হবে। কারণ বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ে ইতিমধ্যেই হিমশিম খাচ্ছে পরীক্ষার্থীরা।  সেই সময় মাইকের  ব্যবহার নিয়ে চিন্তিত সাবই। এ বিষয়ে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার জানান, কলকাতা পুলিশ সভা করার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু ওই জায়গায় পরীক্ষার্থীদের কোনও অসুবিধা হওয়ার  কথা নয়।  শহিদ মিনার যেহেতু জনবসতিপূর্ণ এলাকা নয়,তাই আমরা শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা করব। 
সিএএ-এর সমর্থনে এর আগে অক্টোবরের ১ তারিখ নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে সভা করেছিলেন অমিত শাহ। সম্প্রতি কলকাতায় এসে সিএএ নিয়ে মুখ খুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদী। দেশে সিএএ নিয়ে যতই বিক্ষোভ হোক না কেন, তিনি যে পিছু হটছেন না তা  আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এবার তাঁর পথে হেঁটেই সিএএ নিয়ে শহিদ মিনারে সভা করবেন অমিত  শাহ।

এবার নোংরা জল শোধন করেই রাস্তা ও গাড়ি ধোয়া, পুনর্ব্যবহারের পরিকল্পনায় এনকেডিএ

দেশের সাম্প্রতিক অতীত বলছে, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে বিক্ষোভ হয়েছে বহু জায়গায়।  তিনদিন  ধরে সিএএ বিরোধী আন্দোলন  নিয়ে ধ্বংসলীলার সাক্ষী  থেকেছে রাজ্য়বাসী। সেই জায়গা থেকে সিএএ-র সমর্থন আদায়ে তৃণমূলের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে বিজেপি। তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামনে রেখে শহিদ মিনারে সভা করছে গেরুয়া শিবির।