করোনাভাইরাসকে জব্দ করার মতো কোনও টিকা বা নিরাময়ক ওষুধ এখনও তৈরি হয়নি। তাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বা লকডাউনের মতো রাস্তা বেছে নিয়েছে গোটা মানব সভ্যতা। তবে ভাইরাসটি বিশ্বের যত বেশি জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে, ততই অদ্ভূত অদ্ভূত কুসংস্কারে ঢাকা সুরক্ষার দাওয়াই-এর কথা শোনা যাচ্ছে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সংযোজন পাকিস্তানের মন্ত্রী ফিরদৌস আসিক আওয়ান।

সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে ইমরান মন্ত্রীসভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্যা ফিরদৌস, করোনাভাইরাস থেকে পাকিস্তানিরা কীভাবে নিজেদের সুরক্ষিত রাখবেন, তার পরামর্শ দিয়েছেন। গোটা বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, মুখ, নাক, চোখ ঢেকে রাখতে, হাতে গ্লাভস পরতে, এমনকী বাতকর্মের মধ্য দিয়েও করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু পাক মন্ত্রী দিলেন সম্পূর্ণ নতুন তত্ত্ব।

লকডাউন উঠতেই চিনে চুমু খাওয়ার প্রতিযোগিতা, দেশেই উঠল সমালোচনার ঝড়

কেরলে নতুন করে আতঙ্ক, রাহুল গান্ধীর কেন্দ্রে গত তিনদিনে মৃত ১৩টি বেড়াল

করোনা সংকটে জনপ্রিয়তা বাড়ছে প্রায় সব রাষ্ট্রনেতাদের, ব্যতিক্রম শুধু তিনজন

তাঁর মতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাঁচতে মুখে মাস্ক পরা বা হাতে গ্লাভস পরাই যথেষ্ট নয়, তার সঙ্গে সঙ্গে সকলকে ঢেকে রাখতে হবে তাদের পদযুগলও। কারণ? ভাইরাস 'নিচ দিয়ে' শরীরে ঢুকে পড়তে পারে। নিচ দিয়ে মানে ঠিক কোথা দিয়ে ভাইরাস-এর অনুপ্রবেশ ঘটবে শরীরে তা অবশ্য ব্যাখ্যা করেননি তিনি।

তবে শুধু পাকিস্তানি মন্ত্রীই যে এভাবে কুসংস্কার ছড়াচ্ছেন তা নয়, ইমরানের মতো নরেন্দ্র মোদী মন্ত্রীসভাতেও 'রত্ন'-এর অভাব নেই। আয়ুষ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নায়েক-ই যেমন লকডাউনের আগে ভারতীয়দের পরামর্শ দিয়েছিলেন দিনে ১৫ মিনিট করে রোদে বসে থাকতে। দাবি করেছিলেন, তাহলেই শরীরে করোনা দাঁত ফোটাতে পারবে না। হিন্দু মহাসভার নেতা চক্রপানি আবার বলেছিলেন, করোনা ঠেকাতে গোমূত্র খাওয়ার কথা।