মুদ্রাস্ফীতি কোনও দেশের জন্য ভালো খবর নয়। এই মুদ্রাস্ফীতির জেরে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের দরিদ্র মানুষেরা। কিন্তু পাক মন্ত্রীর গলায় অন্য সুর শোনা গেল। তিনি মন্তব্য করেছেন, দেশে ক্রমেই মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে চলেছে। এর ফলে আখেরে কৃষকরা লাভবান হবেন। 

পাকিস্তানের মন্ত্রী আলি আমিন গান্দাপুর জানিয়েছেন, মুদ্রাস্ফীতি পাকিস্তানের জন্য ভালো। বিশেষ করে কৃষকদের জন্য ভালো। গান্দাপুরের এই মন্তব্য পাকিস্তান জুড়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একজন মন্ত্রী কী করে বলতে পারেন, মুদ্রাস্ফীতি দেশের জন্য ভালো, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।  নিজের মন্তব্যের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে গান্দাপুর বলেছেন,  পাকিস্তানের ১০ কোটি মানুষ কৃষক। দাম না বাড়লে মুদ্রাস্ফীতিও  তাদের ওপর প্রভাব পড়ছে। তেলের দাম বাড়ছে, ডিজেলের দাম বাড়ছে।  এই দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। 

তিনি মন্তব্য করেছেন,  'আপনারা জানেন যে সম্প্রতি আলুর দাম কমে গিয়েছিল। যার ফলে আলু চাষিজের উপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। আলু গত বছর ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। যদি  কেউ দাম বাড়ার ফলে উপকৃত হয়, তা আমাদের কৃষকরা। তাঁরা এখন টমেটো তাষ করছেন।  বর্তমানে পাকিস্তানে টমেটো ৪০০ টাকা প্রতি কেজি।' কাশ্মীরের সম্পর্কিত পাক মন্ত্রীর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন পাকিস্তানের সংবাদ মহল। এক সাংবাদিক টুইটারে মন্তব্য করেছেন, গন্ডাপুর পাকিস্তানের ফেডারাল মন্ত্রী।  ক্ষমতার শিখরে পৌঁছে তিনি বলছেন, পাকিস্তানের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়া ভালো। তিনি কী বলতে চাইছেন, তিনি নিজেও জানেন না।